শারীরিক সুস্থতায় সাইক্লিং

0
64


শারীরিক সুস্থতায় দৈনিক শরীরচর্চার বিকল্প নেই। আর এ শরীরচর্চায় সাহায্য করতে পারে দৈনিক সাইক্লিংয়ের অভ্যাস। লাইফস্টাইলনির্ভর সাইট বোল্ডস্কাই সম্প্রতি এর উপকারিতা সম্পর্কে জানিয়েছে, চলুন জেনে নেই সে উপকারিতা সম্পর্কে-

১. প্রতিদিন সাইক্লিংয়ে পায়ের পেশী শক্ত হয়। কিন্তু পায়ের পেশীর পাশাপাশি হাতের পেশী, কোমড় এবং হাঁটুর জয়েন্টও ভালো রাখে সাইক্লিং এবং সম্পূর্ণ শরীরের পেশী কার্যক্রমকেও আরও উন্নত করে তোলে এ অভ্যাস।

২. সাইকেল চালানোর সময় আমাদের হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়। বিষয়টি হৃৎপিণ্ডের জন্য ভালো বলেই জানিয়েছেন গবেষকরা। এতে করে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমে আসে।

৩. মানুষের শরীরের নির্দিষ্ট সহনশক্তি ও সহনশীলতার মাত্রা রয়েছে। সাইক্লিংয়ের অভ্যাস শরীরের সহনশক্তি ও সহনশীলতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ফলে কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৪. শুধু বাহ্যিক নয়, মানসিক দিক থেকেও সুস্থ্য রাখে সাইক্লিং। নিয়ম মেনে রোজ সাইকেল চালালে বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও মানসিক চাপ সহজে কাবু করতে পারে না।

৫. শরীরের বাড়তি মেদ, বিশেষ করে পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করে সাইক্লিং। পাশাপাশি পেশীর দৃঢ়তা থেকে শুরু করে শরীরের গঠন ঠিক রাখতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।

৬. ডায়াবেটিসের কারণে স্ট্রোক, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি এবং রক্তে সুগারের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। অথচ প্রতিদিন মাত্র ৩০ মিনিট সাইকেল চালালেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে আসে প্রায় ৪০ শতাংশ।

৭.  দৈনিক সাইক্লিংয়ের অভ্যাস বাঁচাতে পারে কোলন এবং স্তন ক্যান্সারের হাত থেকে। প্রতিদিন সাইকেল চালানো বা দৌঁড়ানোর অভ্যাস রয়েছে এরকম মানুষের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে যথেষ্ট কম।

৮. শুধু হৃদরোগ বা ডায়াবেটিস নয়, বাতের ব্যথায় আক্রান্ত হতে এবং এটি কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে দৈনিক সাইক্লিংয়ের অভ্যাস।

৯. সাইক্লিং এমন এক ধরনের অ্যারোবিক শরীরচর্চা যা শ্বাস-প্রশ্বাস এবং হৃদযন্ত্র ভালো রাখার পাশাপাশি সামগ্রিক শারীরিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলে এবং বোয়েল ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা করে।

১০. সাইক্লিংয়ের ফলে মস্তিষ্কে অক্সিজেন ও রক্ত প্রবাহের মাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং মস্তিষ্কের হিপোক্যাম্পাসে কোষ তৈরি হতে থাকে। এদিকে মানুষের স্মরণশক্তির বিষয়টি নির্ভর করে হিপোক্যাম্পাসের উপর। তাই স্মরণশক্তি ভালো রাখার জন্য সাইকেলিংয়ের পরামর্শ দিয়েছে বোল্ডস্কাই।