সাত কলেজের সব সমস্যা শিগগির সমাধান হচ্ছে

0
95

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের দাবি পর্যালোচনা, বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজের বিকেন্দ্রীকরণ, সেশনজট নিরসনসহ যাবতীয় সমস্যা দ্রুত সমাধান হতে যাচ্ছে। রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ও সাত কলেজের অধ্যক্ষদের বৈঠকে শিক্ষার্থীদের যাবতীয় সমস্যা দ্রুত নিরসনের প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের মধ্যে রয়েছে-
শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমের যেকোনো সমস্যা নিজ নিজ কলেজের অধ্যক্ষদের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে নিষ্পত্তি হবে।

অধ্যক্ষগণ শিক্ষার্থীদের যেকোনো আবেদনের বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত যাচাই করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ডেস্কে (ডেডিকেটেড ডেস্ক) প্রেরণ করবেন।

পরীক্ষা, ভর্তি, ফলাফল, রেজিস্ট্রেশন প্রভৃতি বিষয়ে যেকোনো তথ্য শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ কলেজর অধ্যক্ষ/কলেজ অফিস থেকে জানতে পারবেন। এক্ষেত্রে  প্রয়োজনে অধ্যক্ষ/কলেজ অফিস বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত কলেজের ডেডিকেটেড ডেস্কের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডেপুটি রেজিস্ট্রারের সাথে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করবেন।

কোনো শিক্ষার্থীর কোনো তথ্যের জন্য বা দরখাস্ত দেওয়ার জন্য সময় ও শ্রম নষ্ট করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অফিসে আসতে হবে না।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেসব শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত হয়েছে তাদের ভোগান্তি লাঘব ও সেশনজট নিরসনে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বিশেষ পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।

নম্বর স্থগিত ও সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীরা শর্তসাপেক্ষে পরবর্তী শ্রেণিতে (প্রিলিমিনারি/ মাস্টার্স শেষ পর্ব) ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে। তবে সংশ্লিষ্ট শ্রেণির চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পূর্বে পূর্ববর্তী শ্রেণির অকৃতকার্য বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে।

যেসব শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে তাদেরকেও বিশেষ বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে।পরীক্ষার ফলাফল দ্রুত প্রকাশের সুবিধার্থে অন্যান্য অধিভুক্ত ও উপাদানকল্প প্রতিষ্ঠানের ন্যায় পরীক্ষা কেন্দ্র থেকেই সংশ্লিষ্ট পরীক্ষকগণ উত্তরপত্র সংগ্রহ করবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে নম্বর পরীক্ষা কমিটির সভাপতি/পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে জমা দেবেন। উত্তরপত্র নিজ নিজ কলেজে নিজ দায়িত্বে সংরক্ষণ করবেন।

একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়নের লক্ষ্যে সাত কলেজের অধ্যক্ষগণের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কবি নজরুল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করবেন। আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করতে কমিটিকে অনুরোধ জানানো হয়।

মৌখিক পরীক্ষা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রতি কলেজের জন্য একটি করে ভাইভা বোর্ড গঠন করা হবে। একইভাবে ব্যবহারিক পরীক্ষাও বিকেন্দ্রীকরণ নীতিতে গৃহীত হবে।

আগামী এক বছরের মধ্যে পরীক্ষকগণ/বিভাগীয় প্রধান সকল পরীক্ষার নম্বর অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠাবেন।