কোন বয়সে কোন দুধ খাবেন?

0
191

দুগ্ধজাত পণ্য মানেই ক্যালসিয়ামের মাত্রা পর্যাপ্ত। স্বাস্থ্যকর হাড়, পেশী তৈরি এবং মেরামত এবং ভিটামিন এ, ভিটামিন বি এবং ভিটামিন ডি, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য পুষ্টির শোষণ, বৃদ্ধি এবং হরমোন উৎপাদনে এর জুড়ি নেই।

দুধ এবং দুধের পণ্যগুলিতে ফসফরাস থাকে। বিশেষ করে শিশুর বিকাশের প্রাথমিক বছরগুলিতে এই কারণেই দুধ এত প্রয়োজনীয়। আপনার পরিবারের সদস্যদের বয়স এবং স্বাস্থ্য বিবেচনা করেই তাইয় ডায়েটের মধ্যে সঠিক দুগ্ধজাত পণ্য অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। দুধের উচ্চ ক্যালসিয়াম মাত্রা হাড়ের ঘনত্বের জন্য অপরিহার্য। ক্যালসিয়াম হাড়ের ঘনত্ব এবং রক্তের জমাট বাঁধা প্রতিরোধে সহায়তা করে। বিভিন্ন গবেষণায় মস্তিষ্কের উন্নয়ন এবং কোলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধেও দুধের ভূমিকা পাওয়া গেছে।

শিশুদের জন্য বাচ্চার জন্য কী দুধ বাছবেন তা বুঝে ওঠা বেশ চ্যালেঞ্জিং। মা এবং বাচ্চাদের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত উদ্বেগগুলির মধ্যে একটি হল দুধের বিষয়টি। ক্যালসিয়ামের প্রয়োজনীয় মাত্রা না পেলে বাচ্চাদের বৃদ্ধির বছরগুলিতে তা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। বাচ্চাদের বিকাশের বছরগুলিতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যের প্রয়োজন যা হাড় ও দাঁত শক্তিশালী করে।

শিশুদের জন্য সেরা সামগ্রী- গরুর দুধ।

আরও পড়ুনঃ শুক্রানুই সন্তানের সুস্বাস্থ্যের নির্ধারক: দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের সমীক্ষা

কিশোরদের জন্য কিশোর বয়সে হাড় দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ক্যালসিয়াম ছাড়া, দুধে নয়টি অপরিহার্য পুষ্টির প্রাকৃতিক উত্স রয়েছে, যেমন কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি ১২, রিবোফ্লেভিন এবং জিংক। যা স্বাস্থ্যকর রক্তের গঠন, অনাক্রম্যতা, দৃষ্টিশক্তি বাড়ানো, পেশী এবং স্নায়ুর কার্যকারিতা, শক্তি, বৃদ্ধি এবং কোষ মেরামতের জন্য উপকারি।

কিশোর বয়সীদের জন্য সেরা দুগ্ধজাত পণ্য- টোনড দুধ।

বড়দের জন্য বেশি বয়সে অনেকেরই প্রদাহ, উচ্চ কলেস্টেরল, ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের মতো স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা যেতে পারে। অতএব, দুগ্ধজাত সামগ্রী বিশেষভাবে বাছা উচিৎ। দুধের সামগ্রী হাড়ের ঘনত্ব ভালো রাখে তবে সুস্থ জীবন পরিচালনার জন্য কোন পণ্য খাওয়া উচিৎ সে নিয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রস্তাবিত সেরা দুগ্ধজাত পণ্য- ক্রিম বা মালাই দিয়ে স্কিমড দুধ।