মানারাত ইউনিভার্সিটিতে জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিস বিভাগের সেমিনার

0
266

মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে “বাংলাদেশের সংবাদপত্রে তথ্য-উপযোগিতা পর্যালোচনা : প্রসঙ্গ হ্যারি-মেগানের বিয়ে” শীর্ষক এক সেমিনার আজ শনিবার সকালে আশুলিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ও ভারপ্রাপ্ত ভাইস-চ্যান্সেলর হাফিজুল ইসলাম মিয়া।

প্রধান আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার প্রধান সম্পদক মতিউর রহমান চৌধুরী। জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিস বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. জাহানগীর কবিরের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং, সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ডিন প্রফেসর ড. এম. কোরবান আলী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, সাবেক সচিব মো. মনিরুল ইসলাম। জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিস বিভাগের আয়োজনে সেমিনারে মূল প্রতিপাদ্য নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সহকারী অধ্যাপক রফিকুজ্জামান রোমান।


এতে প্রধান আলোচক মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যম এখন নানাবিধ চাপে রয়েছে। তা সত্ত্বেও জাতি আশা করে আমরা সত্য কথা বলি। অযথা সরকারের বিরুদ্ধে বলে চমক সৃষ্টি করার দরকার নেই। হটকারিতা বাদ দিয়ে যা সত্য তাই তুলে ধরতে হবে।


দেশে অনেক খবর রয়েছে যেগুলো আমরা দিতে পারি না এমন হতাশা ব্যক্ত করে বলেন, এখন সাংবাদিক পরিচয় দিতে আমি লজ্জাবোধ করি। কারণ যেটা ভাবি সেটা সেভাবে লিখতে পারি না। অনেক কিছুই লিখতে পারতাম, কিন্তু লিখি না। এভাবে প্রতিদিন নিজের মনের সঙ্গে আপোষ করে চলি।


তা সত্ত্বেও তিনি সাংবাদিতার ছাত্র ও তথা যারা সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে নিতে চান তাদের হতাশ হওয়ার কোন কারণ নেই। ‘জাতি গঠনে সাংবাদিকদের পাশাপাশি সাংবাদিকতার ছাত্রদেরও অনেক কিছু করার রয়েছে’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।


সেমিনারে প্রধান অতিথি তার বক্তৃতায় সাংবাদিকতা পেশাকে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং উল্লেখ করে বলেন, তা সত্ত্বেও বর্তমানে দেশে সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের সংখ্যা বেড়েই চেলেছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে সাংবাদিকদের কাজের ক্ষেত্রও। সুতরাং সাংবাদিকতা পড়া শেষ করে চাকরি নিয়ে এ বিষয়ের শিক্ষার্থীদের চিন্তিত হওয়ার কোন কারণ নেই বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।


অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন পাবলিক রিলেশন্স অ্যান্ড স্টুডেন্টস অ্যাফেয়াসের উপ-পরিচালক আবদুল মতিন, জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিস বিভাগের লেকচারার রেহানা সুলতানা, বোরহান ফয়সাল, ডেপুটি রেজিস্ট্রার (ইনচার্জ) আলমগীর হোসেইন-সহ অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও ছাত্র-ছাত্রীরা।