কেন হয় আঁচিল, কী করবেন

0
650

আঁচিল সাধারণত ছোট দানা থেকে বেশ বড় আকার ধারণ করতে পারে। এর বহির্ভাগ অমসৃণ কাঁটা কাঁটা হয়ে থাকে। বড়দের চেয়ে শিশুদের অধিক আঁচিল দেখা যায়। নখ কামড়ানোর অভ্যাস থেকে জিহ্বা বা মুখ গহ্বরের ভেতরও আঁচিল হতে পারে

আঁচিল ভাইরাসজনিত রোগ। যেকোনো বয়সের ছেলেমেয়ে অথবা পুরুষ বা মহিলার এ রোগ হতে পারে। মাথা থেকে পা পর্যন্ত শরীরের যেকোনো স্থান আক্রান্ত হতে পারে। সংক্রমিত লোকের সংস্পর্শে কিংবা তার ব্যবহৃত দ্রব্যাদি ব্যবহার করলে, সেলুন থেকে কাঁচি ও ক্ষুরের সাহায্যেও ছড়াতে পারে। আঁচিল সাধারণত ছোট দানা থেকে বেশ বড় আকার ধারণ করতে পারে। এর বহির্ভাগ অমসৃণ কাঁটা কাঁটা হয়ে থাকে। বড়দের চেয়ে শিশুদের অধিক আঁচিল দেখা যায়। নখ কামড়ানোর অভ্যাস থেকে জিহ্বা বা মুখ গহ্বরের ভেতরও আঁচিল হতে পারে। হাত ও পায়ের পাতার আঁচিল সাধারণত ব্যথাযুক্ত হয়ে থাকে।

যাদের শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের সারা শরীরে প্রচুর আঁচিল হতে পারে। যাদের যৌনাঙ্গে আঁচিল আছে, তাদের সাথে যৌনমিলনে এ রোগ গুপ্তাঙ্গে ছড়াতে পারে। বিশেষ ধরনের মিলনের ফলে এটা পায়ুপথের চারধারেও হতে পারে। গর্ভাবস্থায় গুপ্তাঙ্গের এ রোগ হরমোনের প্রভাবে বড় আকার ধারণ করে, যা অনেক সময় নরমাল ডেলিভারিতে বাধার সৃষ্টি করে।

চিকিৎসা

অনেক পদ্ধতির সাহায্যে আঁচিলের চিকিৎসা করা যায়। মূল উদ্দেশ্য হলো- ভাইরাস আক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করা। যার ফলে আঁচিল ভাইরাস নির্মূল হতে পারে।