গরমে হঠাৎ জ্বর কমাবেন যেভাবে

0
170

শুরু হয়ে গিয়েছে গরমকাল। এই ঋতু পরিবর্তনেই অপ্রত্যাশিত ভাবে হঠাৎ করে জ্বর কাশি হতে দেখা দেয়। কারণ আবহাওয়ার পরিবর্তনের সাথে সাথে তাপমাত্রার একটা তারতম্য ঘটে। আমাদের শরীর সেটা হঠাৎ করে মানিয়ে নিতে পারে না বলেই জ্বর কাশি দেখা যায়। তবে জ্বর হলে শুরু থেকেই যদি কিছু ছোট নিয়ম কানুন মেনে চলা যায় তাহলে জ্বরের কারণে কষ্ট কম হবে এবং দ্রুত জ্বর সেরে যাবে।জ্বর হলে সাবধানে থাকুন। একটু দূরত্ব রাখুন পরিবারের সদস্যাদের থেকে। কারণ ফ্লু ছোঁয়াছে হয়ে থাকে। ফলে আপনার থেকে আপনার পরিবারের অন্য সদস্যদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনাও থেকে যায়।

জ্বর হলে বাসায় থাকুন। কারণ জ্বর থাকাকালীন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। বাইরে গেলে ধুলোবালিতে থাকা জীবাণু শরীরে ঢুকে বিভিন্ন রোগের কারণ হয়ে উঠতে পারে। এছাড়াও জ্বর গায়ে বেশি হাঁটাচলা শরীর আরো বেশি দুর্বল হয়ে পড়ে।

জ্বর হলে যত বেশি সম্ভব ঘুমানোর চেষ্টা করুন। কারণ ঘুমালে আপনার শরীরের ভিতরের কাজগুলো দ্রুত হয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তার শক্তি ফিরে পায়। এছাড়া ঘুম আপনার শরীরকে জ্বরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে প্রস্তুত করে তোলে।

নিয়মিত থার্মোমিটার দিয়ে জ্বর পরীক্ষা করুন। যদি তাপমাত্রা কমতে থাকে তাহলে উঠে হাতমুখ ধুয়ে নিন, এতে ফ্রেশ লাগবে এবং শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। খেয়াল করুন জ্বরের পাশাপাশি শরীরে অন্যান্য উপসর্গ যেমন মাথাব্যথা, শরীরের ব্যাথা, খাবারে অরুচি ইত্যাদি আছে কি না। প্রয়োজনে দ্রুত ডাক্তারের কাছে যান।

হালকা খাবার খান। জ্বরের সময় খুব বেশি ভারী খাবার খেতে হবে এমন কোনো কথা নেই। হালকা খাবার হজম করতে সুবিধা হবে।

জ্বরের শরীরে খালি পেটে কষ্ট বেশি হয়। তাই একেবারে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে খেতে থাকুন। এতে শরীরের শক্তিতে ঘাটতি পড়বে না।

যদি তাপমাত্রা না কমে, তাহলে ভেজা কাপড়ের পট্টি দিন। কিছুক্ষণ পরপর কাপড় পরিবর্তন করুন। এতে তাপমাত্রা কিছুটা হলেও কমবে। যদি খুব বেশি তাপমাত্রা থাকে তাহলে কাপড় ভিজিয়ে গা হাত পা মুছে ফেলুন। এতে শরীরে প্রশান্তি পাবেন।

হালকা জ্বরের ক্ষেত্রে প্যারাসিটামল টাইপের ওষুধ খেতে পারেন। কিন্তু জ্বর যদি অনেক বেশি হয় তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া জ্বরের ওষুধ হিসেবে কোনো এন্টিবায়োটিক খাবেন না।