২০৩৩ সালে বিশ্বের ২৪তম অর্থনৈতিক দেশ হবে বাংলাদেশ: ডব্লিউইএলটি

 

স্টাফ রিপোর্ঠার : আগামী ২০৩৩ সালের মধ্যে বিশ্বের ২৪তম অর্থনৈতিক দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ। যুক্তরাজ্য ভিত্তিক অর্থনৈতিক পরামর্শ কেন্দ্র ‘সেন্টার ফর ইকোনোমিকস এন্ড বিজনেস রিসার্চ’ (সিইবিআর) এর ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ টেবিল’ (ডব্লিউইএলটি) প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লীগ টেবিল অনুযায়ী, আগামী ১৫ বছরে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে।

২০২৩ সাল নাগাদ শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৩৬তম হবে। আর ২০২৮ সাল নাগাদ ২৭তম অবস্থানে চলে আসবে বাংলাদেশ। ২০৩৩ সাল নাগাদ এ অবস্থান হবে ২৪তম। বিশ্বের ১৯৩টি অর্থনীতির অবস্থা বিবেচনা করে এই র‌্যাংঙ্কিং নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, ভারত ও মিয়ানমারের সাথে স্থল সীমান্ত রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্র বাংলাদেশের।

গত একদশক যাবৎ বিশ্বের ৮ম জনবহুল রাষ্ট্র বাংলাদেশের গড় প্রবৃদ্ধি ৬.৩ শতাংশ। ৪ হাজার ৬শ’ মার্কিন ডলার মাথাপিছু আয় নিয়ে বিশ্বব্যাংকের র‌্যাংকিং অনুসারে এটি নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি দেশটির অভ্যন্তরীণ চাহিদাজনিত ব্যয়, সরকারের ব্যয়, রেমিট্যান্স এবং রফতানির দ্বারা চালিত হচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কিছু চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও অর্থনীতির আধুনিকায়নে দেশটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী পরিচালনার লক্ষ্যে সরকারকে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয়দানের কারণে যে চাপ সৃষ্টি হয়েছে- তাও উল্লেখ করা হয়।

‘তৈরি পোশাক বাংলাদেশের প্রধান রফতানি পণ্য ২০১৭ সালের হিসেব অনুয়ায়ি দেশটির রফতানি আয়ের ৮০ শতাংশ তৈরি পোশাক খাত থেকে আসে। দেশটির আয়ের আরেকটি প্রধান উৎস রেমিট্যান্স। এছাড়াও বাংলাদেশের ৪৩ শতাংশ মানুষ কৃষিখাত সংশ্লিষ্ট কাজে জড়িত।’