কুমিল্লাকে ৬৩ রানে গুটিয়ে দিল রংপুর

 

ক্রীড়া ডেস্ক : দুই দলই তারকা সমৃদ্ধ বলে ম্যাচটির গায়ে হাইভোল্টেজের তকমা লাগানো ছিল। ভাবা হচ্ছিল টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটের রোমাঞ্চকর প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যাবে মিরপুরের মাঠে। কিন্তু কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ১৬.২ ওভারে ৬৩ রানে গুটিয়ে দিয়ে সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কমিয়ে দিল রংপুর রাইডার্স। এদিন স্টিভেন স্মিথের দলের ব্যাটিং লাইন আপ গুড়িয়ে দিতে নেতৃত্ব দেন রংপুরে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা নিজেই।

টপ অর্ডারের প্রথম তিনটিসহ তুলে নেন মোট ৪ উইকেট। মাশরাফির প্রথম শিকার হন তামিম ইকবাল (৪)। ম্যাচের তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে নাজমুল ইসলাম অপুর তালুবন্দি হয়ে মাঠ ছাড়েন এই ওপেনার। পরের ওভার করতে এসে দ্বিতীয় বলেই তুলে নেন ইমরুল কায়েসকে। মাশরাফির বলে বরি বোপারার হাতে ক্যাচ দিয়ে মাঠ ছাড়েন কায়েস (২)।

ম্যাশ এর তৃতীয় শিকার ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান এভিন লুইস (৮)। বিধংসী এই ব্যাটসম্যানকে বাউন্ডারির কাছাকাছি অপুর তালুবন্দি করেন রংপুরের অধিনায়ক। এরপর কুমিল্লার ব্যাটিংয়ে হানা দেন সাইফুল ইসলাম। নিজের করা প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে এলবিডাব্লুর ফাঁদে ফেলেন শোয়বে মালিককে (০)। আর স্মিথকে কোন রান করার সুযোগ না দিয়েই সাজঘরে ফেরার রংপুর অধিনায়ক নিজে। ছয় নম্বরে থাকা এনামুল হককে (২) আউট করে উইকেটের খাতা খোলেন ফরহাদ রেজা।

আর মোহাম্মদ সাইফউদ্দীনকে (৭) নিজের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত করেন সাইফুল ইসলাম। রংপুর বোলারদের তোপের মুখে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ছিলেন শহীদ আফ্রিদি। স্বভাব সুলভ ভঙ্গিতে রান করে যাচ্ছিলেন। তবে তাকে ২৫ রানের বেশি করতে দেননি নাজমুল ইসলাম অপু। পাকিস্তানি এই হার্ডহিটারকে ক্রিস গেইলের ক্যাচে পরিণত করেন এই স্পিনার। আফ্রিদির ১৮ বলে ২৫ রান দুই অংকের ঘরে পৌঁছানো রংপুরের একমাত্র ইনিংস। একটি ছক্কা ও ৩টি চার মেরেছেন এই ব্যাটসম্যান।

এরপর মেহেদী হাসানকে (৬) স্টাম্পিংয়ের শিকার করে নিজের দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন অপু। ৬২ রানে কুমিল্লা হারায় নবম উইকেট। তার ১ রান পর দশম উইকেট হারায় তারা। আবু হায়দার রনিকে (০) নিজের তৃতীয় শিকারের পরিণত করে কুমিল্লার ইনিংসের ইতি টানেন অপু।