বদলে যাবে বনানী পার্ক

বনানী ১৮ নম্বর সড়কে অবস্থিত বনানী ক্লাব মাঠটি আধুনিকায়ন ও সংস্কারের জন্য উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। পার্কটির কাজ শেষ হলে জায়গাটি হবে খোলামেলা, সবুজ আর ছায়াঘেরা। এখানে খেলবে শিশুরা, নারীরা হাঁটবে, গল্প করবে। নারী ও শিশুদের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে নির্মিত পার্কটিতে থাকবে শিশুদের বিনোদনের ব্যবস্থাসহ নানা আয়োজন।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পার্কটির আরেকটি বৈশিষ্ট্য হবে, এটা দুর্যোগ পরিস্থিতিতে নগরবাসীর জন্য আশ্রয়স্থল হবে। সব কিছু মিলেয়ে পার্কটি আধুনিকায়নের মাধ্যমে এবং নারী ও শিশুদের প্রাধান্য দিয়ে বদলে যাচ্ছে বানানীর পার্কটি।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় ২২টি পার্ক ও ৮টি খেলার মাঠ সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে ডিএনসিসির পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ। এই ২২টি পার্ক ও ৮টি খেলার মাঠের মধ্যে রয়েছে বনানী ক্লাব মাঠ। এই মাঠের আয়তন ১ দশমিক ২১ একর। পার্কটি সংস্কার ও উন্নয়নে অর্থাৎ আধুনিকায়নে এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে এই কাজ শেষ করার কথা রয়েছে।

banani

জানা গেছে, বনানী মাঠটি একসময় ঢাকা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্টের মালিকানায় ছিল। এরপর সিটি কর্পোরেশনের মালিকানায় আসে। সম্প্রতি বনানী সোসাইটিকে সঙ্গে নিয়ে ডিএনসিসি বনানীর মাঠ ও পার্ক উন্নয়নের কাজ করছে। সেখানে বসতে যাচ্ছে শিশুদের বিনোদনের বিভিন্ন উপকরণ, ওয়াকওয়ে, সাইকেল লেন। থাকবে নারীদের জন্য বিশেষ বসার স্থান, গণশৌচাগার।

banani

ডিএনসিসি সূত্র জানায়, এলাকাবাসী নিজেরা অংশ নিয়ে পার্কের অভ্যন্তরে কী কী সুযোগ-সুবিধা থাকা দরকার তা নিয়ে মত দিয়েছেন। পার্কের নকশা করার সময় তাদের মত ও পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব পার্কে বড় কোনো স্থাপনা তৈরি করা হবে না। যেখানে কেবল পার্ক আছে, সেখানে খেলার মাঠও রাখা হবে। আবার যেখানে মাঠ আছে সেখানে পার্কের সুবিধা থাকবে। ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণের সুবিধা থাকবে।

পুরো পার্কটি নতুন করে সাজানো হবে জানিয়ে ডিএনসিসির পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তারিক বিন ইউসুফ বলেন, বনানীর এই পার্কটিতে আমরা মূলত নারী ও শিশুদের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে নির্মাণ করছি। পার্কটি হবে খোলামেলা, সবুজ আর ছায়াঘেরা। এখানে শিশুদের বিনোদনের বিভিন্ন উপকরণ, ওয়াকওয়ে, সাইকেল লেন তৈরী করা হবে। নারীদের জন্য হাটার ব্যবস্থা, বসার স্থান, গণশৌচাগারসহ থাকবে আধুনিক সব সুযোগ সুবিধা থাকবে।