আমার এমপি-মন্ত্রী হওয়া ঠেকাতে ষড়যন্ত্র চলছে : হিরো আলম

 নিজের সমালোচনাকারীদের ধন্যবাদ দেয়ার পাশাপাশি ‘ষড়ষন্ত্রকারীদের’ সতর্ক করে দিয়েছেন হঠাৎ করে রাজনীতিতে আসা এবং আসন্ন সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী আলোচিত মডেল-অভিনেতা আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম।

আজ এনডিটিভি বাংলাকে তিনি বলেছেন, ‘কিছু মানুষ ও মিডিয়া আমার এমপি-মন্ত্রী হওয়া ঠেকাতে ষড়যন্ত্র করছে। তারা চায় না আমি নির্বাচন করে এমপি-মন্ত্রী হই।’

জাতীয় পার্টির মনোনয়নপত্র হারিয়ে ফেলেছেন বলে যে খবর বেরিয়েছে তাকে ‘ষড়যন্ত্র’ আখ্যা দিয়ে হিরো আলোম বলেছেন, ‘কিছু মানুষ ও কয়েকটা অনলাইন মিডিয়া ষড়যন্ত্র করছে। কিন্ত তাদের ষড়যন্ত্র আমাকে দমাতে পারবে না, নির্বাচন থেকে আমাকে বিরত রাখতে পারবেনা।’

কয়েক বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত হিরো আলম এনটিডিভি বাংলাকে বলেন, আমার নির্বাচন নিয়ে অনেকে হিংসা করছেন। চা-দোকানি থেকে নরেন্দ্র মোদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হতে পারলে হিরো আলমের এমপি ইলেকশন করার খবরে সবার হিংসে কেন, তা-ও জানতে চান তিনি।

সমালোচনার কড়া জবাবের পাশাপাশি তাদের ধন্যবাদও দিয়েছেন আলোচিত মডেল-অভিনেতা আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম। তিনি বলেন, আমাকে নিয়ে যারা নীতিবাচক সমালোচনা করছেন, তাদের ধন্যবাদ জানাই।

তিনি সমালোচনাকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমাকে নিয়ে ব্যঙ্গ-কৌতুক করার আগে একবার ভাবুন, জিরো থেকে হিরো আলম কেমনে হলাম। অনেক সাহস, পরিশ্রম আর স্বপ্নের জোরেই জিরো থেকে হিরো আলম হয়েছি। দেশ-বিদেশের মিডিয়ায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়জনকে নিয়ে এত মাতামাতি হয়েছে? কয়জনকে খোঁজার জন্য গুগলে এত বেশি সার্চ হয়েছে?’

নির্বাচনে অংশ গ্রহণ প্রসঙ্গে বগুড়া সদরের এরুলিয়া গ্রামের এক সময়ের চাটনি ও চানাচুর বিক্রেতা হিরো আলম বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুবার ৭১ ও ১৬ ভোটে হেরেছি। তখনই ঘোষণা দিয়েছিলাম, ফের কোনো দিন নির্বাচন করলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করব। আর কোনো ছোট ইলেকশন করব না। সেই সুযোগ এবার কাজে লাগাতে চাই। দলীয় মনোনয়ন হাতে নিয়েই বগুড়ায় ফিরব।’

নির্বাচনী ব্যয়ভার জোগানো ছাড়াও নির্বাচনে জয়ী হতে পারলে এলাকার উন্নয়ন, দেশ ও দেশীয় চলচ্চিত্রের উন্নয়ন নিয়ে তাঁর নানা স্বপ্নের কথা জানান।

হিরো আলম বলেন, ‘নির্বাচনী এলাকার ভোটাররা প্রচারপত্র,পোস্টার-ব্যানার তৈরি করে দেওয়ার কথা বলছেন। অনেকেই নির্বাচনী প্রচারণার ব্যয়ভার বহনের ঘোষণা দিয়েছেন। আমার অর্থ নেই, মানুষের ভালোবাসাই আমার বড় শক্তি। এলাকাবাসীই আমার নির্বাচনী খরচ বহন করবেন। বিনিময়ে নির্বাচিত হতে পারলে সব সময় গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে থাকব। অতীত কখনো ভুলে যাব না।’