গাজীপুরে মিলল ৯ জনের লাশ

গাজীপুরে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে নয়জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে খুন, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু ও আত্মহত্যার ঘটনা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভোরে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ঝাজর এলাকায় একটি ট্রাক রাস্তার পাশে মাটি নামানোর সময় ওপরে থাকা ৩৩ কেভি বৈদ্যুতিক লাইন স্পর্শ করলে বিদ্যুতায়িত হয়ে ট্রাকে আগুন ধরে যায়। এতে ট্রাকচালক রুবেল মিয়া (৩০) ও হেলপার জাহাঙ্গীর আলম (৫০) ঘটনাস্থলেই মারা যান।

পাশাপাশি দুপুর ১২টার দিকে মহানগরীর জোলারপাড় এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে একজনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। নিহত শহিদুল ইসলাম (৪৫) জেলারপাড় এলাকার মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে।

এর আগে বুধবার রাতে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ভুরুলিয়া এলাকার মডেল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি কলেজের ছাত্রী সুমাইয়া বেগম রিমা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। খবর পেয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

একই দিন সন্ধ্যায় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ভোগড়া চৌধুরী বাড়ি এলাকায় গলায় ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন মিজানুর রহমান (২৩) নামের এক তরুণ। খবর পেয়ে রাতেই তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এদিকে, বুধবার বিকেলে কাপাসিয়ার তিন স্থান থেকে নারীসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে দুইজনকে হত্যা করা হয়েছে এবং একজন বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা গেছেন।

কাপাসিয়া থানা পুলিশের এসআই রাসেল কবির বলেন, কাপসিয়া উপজেলার তরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন আজিজুলের বাড়ির পাশের ডোবা থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার বয়স (৬০) বছর হবে। তাকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

সেইসঙ্গে কাপাসিয়া বাজারের সুপারস্টার হোটেল অ্যান্ড সুইটমিট থেকে কালিয়াকৈর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে ফারুক (৩৫) নামের এক কর্মচারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাকেও হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এছাড়া বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার কড়িহাতা ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আতিকুলের ছেলে রাসেলের (৩৮) মৃত্যু হয় বলেও জানান এসআই রাসেল কবির।