স্ত্রীকে ঐতিহাসিক ইনিংস উৎসর্গ করলেন মুশফিক

মুশির এই এক ডাবল সেঞ্চুরিতে কতকিছুই না হলো! চলতি বছরে বিশ্ব ক্রিকেট টেস্টে এই প্রথম ডাবল দেখলো। হোম অব ক্রিকেটেও কোনো বাংলাদেশির প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি। উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান হিসেবেও দুই ডাবলের অনন্য কীর্তিতে মুশির রাজত্ব। এতো এতো কীর্তির এই এক ডাবল সেঞ্চুরি এলো বড় দুর্দিনে। যা দলের সঙ্গে মুশফিকের নিজেরও দুর্দিন কাটালো। এইসব দুঃসময়ে সবচে কাছের যিনি, সাহস যোগান যিনি, সেই প্রেয়সীকেই উৎসর্গ করলেন বরাবরের লাজুক মুশফিকুর রহিম।

‘অবশ্যই আমার সহধর্মিণীকে উৎসর্গ করবো। কারণ, এটা সত্যিই স্পেশাল এবং ওর অবদানটা অনেক বড় ফ্যাক্ট। আমি অনেক সময় মন খারাপ করে থাকি কিন্তু বিয়ের পর আমার এই বিষয়ে অনেক বড় হেল্প হয়েছে। আর বাচ্চা হওয়ার পরে তো এটা…, আপনি যদি খেলায় করে দেখেন, আমার মোবাইলের ওয়াল পেপারেও ওর ছবি। ওর একটু হাসি দেখলে আমার মন এমনিই ভালো হয়ে যায়।’ সোমবার টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে বলছিলেন মুশফিক।

তবে এমন ঐতিহাসিক অর্জনের জন্য সতীর্থদের কৃতিত্ব দিতে মোটেও কার্পণ্য করলেন না লিটল মাস্টার। দিনভর জিম্বাবুইয়ানদের সপাটে হাঁকিয়ে দিনশেষে বিনয়ী এক মুশফিক। সংবাদ সম্মেলনে সব কৃতিত্ব বিলিয়ে দিলেন সতীর্থদের। সঙ্গে জানালেন, ট্রিপল সেঞ্চুরির স্বপ্নটাও এখন আর দূরের কিছু নয়।

‘শুধু আমিই না, মুমিনুল আল্লাহর রহমতে অসাধারণ ব্যাটিং করেছে। মিরাজ অসাধারণা সাপোর্ট দিয়েছে, রিয়াদ ভাই। সব মিলিয়ে অনেক ভালো লাগছে। আর ডাবল হান্ড্রেড কখনোই একার চেষ্টায় করা যায় না যদি আপানর পার্টনার না থাকে বা বড় পার্টনারশিপ না হয়। সেই হিসেবে আমি তাদের প্রতি অনেক কৃতজ্ঞ।’

‘কঠিন ছিল যে, পারবো কিনা। নিজের ওপর ওই রকম বিশ্বাসটা ছিল না। কিন্তু এটা পাওয়ার পর সেই বিশ্বাসটা আমার কাছে একটু হলেও ফিরে এসেছে। শুধু আমিই না, যারাই টপ অর্ডারে খেলেন তাদের জন্য এটা আর অসম্ভব কিছু না।’