সাভারের গকুল নগরে ইয়াবা সেবনকালে ৩ স্কুল ছাত্র ধরা

স্টাফ রিপোর্টার:  সাভারের গকুল নগরে ইয়াবা সেবনকালে ৩ স্কুল ছাত্র জনতার হাতে ধরা পড়েছে। তাদেরকে চড়, থাপ্পর ও কান ধরে ওঠ বস করিয়ে অভিবাকদের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এলাকাবাসী জানান একটি চক্র এলাকায় মাদক ব্যবসা করে পরিবেশ নষ্ট করছে। শিশু কিশোরা মাদকের সাথে যুক্ত হচ্ছে।

এলাকাবাসী ও গকুলনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের একাধিক সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়,  মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাজারের একটি ইন্টারনেট দোকানের পেছনে বসে ইয়াবা সেবন করছিল কয়েক শিশু কিশোর। বিষয়টি দেখে বাজারের কয়েক ব্যবসায়ি ও এলাকার বাসিন্দা তাদের ধাওয়া করে ৩ জনকে ধরে ফেলেন এবং কয়েকজন পালিয়ে যায়। যাদের আটক করা হয় তারা হল গকুল নগরের বাসিন্দা মমতাজ আলীর পুত্র ও গকুল নগর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনীর ছাত্র জান্নাত হোসেন (১৪) স্থানীয় আবুল কালামের পুত্র যোবায়ের (১৫)। যোবায়ের টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে শাহীন ক্যাডেট স্কুলের ৮ম শ্রেনীর ছাত্র। অপরজন গকুল নগর স্কুলের ৮ম শ্রেনীর ছাত্র সুমন (১৪)। তবে তার পিতার নাম জানা যায়নি।

স্থানীয়রা আটককৃত এসকল কিশোর ছাত্রদের ইয়াবা কোথা হতে কিনেছে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা জানায়, পানধোয়ার মাসুদের নিকট থেকে তারা ইয়াবা কিনেছে। পরে এ বিষয়টি স্থানীয় মেম্বার ও পাথালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পারভেজ দেওয়ানকে জানিয়ে আটককৃতদের চর থাপ্পর ও কান ধরে ওঠ বস করিয়ে অবিবাকদের নিকট ছেড়ে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পারভেজ দেওয়ানের নিকট ফোন করলে তিনি জানান, পানধোয়ার মাসুদ খুবই ধূর্ত ব্যক্তি। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের নানা অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে মাসুদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মাদক ব্যবসার সাথে তার বিন্দু মাত্র যোগ সূত্র নেই। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এসব বলা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন আমি গকুল নগর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য। এছাড়াও আমি সাভারে রাজফুলবাড়িয়াতে পাইকারি বাজারে মাছের আড়তের ব্যবসা করি।