ধামরাইয়ে পাগলা কুকুরের কামড়ে স্কুলছাত্রীসহ আহত ৩০

ধামরাই প্রতিনিধি : ধামরাইয়ে পাগলা কুকুরের কামড়ে গত দুদিনে স্কুলছাত্রীসহ ৩০ জন আহত হয়েছে। শনি ও শুক্রবার ধামরাইয়ের আলোকদিয়া, চাপিল নওগাও, গোয়ালদী, সুয়াপুর, সুতিপাড়া, কালামপুর ও কুশুরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ধামরাইয়ের কালামপুর পদ্মা জেনারেল হাসপাতালসহ ঢাকার মহাখালি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এতে পুরো এলাকায় কুকুর আতংক বিরাজ করছে।

জানা গেছে,  শনিবার সকালে ধামরাইয়ের আলোকদিয়া গ্রামে ঘুমন্ত অবস্থায় জিয়াউর রহমান (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে মুখমন্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে পাগলা কুকুর কামড়িয়ে গুরুতর জখম করে। একইদিন কুশুরা এলাকায় নাসরিন আক্তার নামে এক স্কুলছাত্রী, কারাবিল গ্রামের আফাজ উদ্দিন, শুক্রবার কালামপুর গ্রামের আতাউর রহমান, গোয়ালদী গ্রামের আহম্মদ আলী, সুতিপাড়া এলাকার সুজন, মোক্তার আলী, চাপিল নওগাও এলাকার জিয়া পাগলা, সুয়াপুরের কবির হোসেন, আব্দুল হাই, চায়নাসহ ৩০ জনকে পাগলা কুকুর কামড় দিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেছে। এদের মধ্যে কয়েকজন ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে গিয়ে জানতে পারেন সেখানে কুকুর কামড় দিলে চিকিৎসা দেওয়া হয়না।

কালামপুর পদ্মা জেনারেল হাসপাতালের ডা. এসএম নাজমুল বাশার বলেন, গত দুই দিনে কুকুরে কামড়ে আহত হয়ে তার হাসপাতাল থেকেই সাতজন চিকিৎসা নিয়েছেন। আরও কয়েকজন ঢাকার মহাখালি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে।

এ বিষয়ে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফজলুল হক বলেন, কুকুরের কামড়ে কেউ চিকিৎসা নিতে আমার হাসপাতালে আসলে তাকে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয় না। কারণ জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিন আমাদের সরবরাহ নেই। তবে ভ্যাকসিন পেতে চেষ্টা করা হচ্ছে।