জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সমাবেশ আজ

 সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেন সরকারকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দাবি মেনে নেয়ার আল্টিমেটাম দিতে পারেন। মহানগর নাট্যমঞ্চের ‘জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া’র সমাবেশ থেকে এ আল্টিমেটাম দেয়া কথা রয়েছে। শনিবার বিকেল ৩টায় এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

বিএনপি নেতারা শুক্রবার রাতে ড. কামাল হোসেন সঙ্গে দেখা করে এই আল্টিমেটাম দেয়ার প্রস্তাব করেন। আর তার চূড়ান্ত প্রস্তাব ও কর্মসূচি প্রণয়ন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। কি ধরণের কর্মসূচি ঘোষণা করবেন তা সে সকাল ১১টায় চূড়ান্ত করবেন।

দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছে, বিএনপি নেতারা শুক্রবার রাতে ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে দেখা করে তার ওপর দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। এমনকি তারা কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানাতে এবং তাকে আইনি প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা দিতে অনুরোধ জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেন, জাতির এই দুঃসময়ে একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন আদায়ে আপনি দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে পারেন।

বিএনপি নেতারা বলেন, এই বিষয়ে আপনি যে নীতি গ্রহণ করবেন, সেখানেই আমাদের সমর্থন থাকবে।

ড. কামাল হোসেন এই সময় বিএনপি নেতাদের বলেন, আমাকে নেতৃত্ব দেয়ার কথা বলে বিভ্রান্ত করবেন না। আমি সব সময় যৌথ নেতৃত্বে বিশ্বাসী। আমরা সবাই মিলেই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে চাই। সেই জন্য আমাদের যা করণীয় তা করতে হবে।

শুক্রবার রাতে মতিঝিলের চেম্বারে ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে একান্তে বৈঠক করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, খোন্দকার মোশারফ হোসেন ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঐক্য প্রক্রিয়ার অন্যতম নেতা মোস্তফা মহসীন মন্টু, সাবেক ডাকসু ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ, অ্যাড. সুব্রত রায় ও আ ন ম সফিক উল্ল্যাহ।

জানা যায়, সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়। আজকের সমাবেশে ড. কামাল হোসেন সভাপতিত্ব করবেন। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কিউ এম বদরুদোজা চৌধুরী। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখবেন বিএনপি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

জানায় গেছে, সংসদ ভেঙে দেয়াসহ গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব উল্লেখ করে ড. কামাল হোসেন সরকারকে সময়সীমা বেধে দিতে পারেন।