আশুলিয়ায় চাঁদা না দেয়ায় পোশাক কারখানার কন্ট্রাক্টরসহ ৩ জনকে পিটিয়ে জখম

আশুলিয়া ব্যুরো: আশুলিয়ায় একটি পোশাক কারখানার কন্ট্রাকটর এর নিকট কতিপয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় ওই কন্ট্রাকটর ইমরান (৩০), কারখানার প্যারোল অফিসার বশির হোসেন খান (৩৫) ও সুইং অপারেটর রাজিব (৩২)সহ  ৩ জনকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় কারখানার গেট ভাংচুরসহ একটি প্রাইভেট কারও সন্ত্রাসীরা ভাংচুর করেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ তদন্ত করেছে।

শনিবার দুপুর সোয়া ২টারদিকে আশুলিয়ার আব্দুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়কের জামগড়া শিমুলতলা দি ড্রেস এন্ড দি আইডিয়াস নামে পোশাক কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ব্যাপারে কারখানাটির সুইং লাইনের কন্ট্রাক্টর ইমরান বলেন, তিনি কারখানার ১১নং লাইনের ৩৪ শ্রমিক দিয়ে কন্ট্রাকে উৎপাদন করে মালামাল সাপ্লাই দেন। এ মাসের ২০ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায় জামগড়া এলাকার কয়েকজন চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা তার কাছে প্রতিমাসে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে ওইদিন তারা হামলা চালিয়ে কারখানার ওই লাইনটি বন্ধ করে দেয়। এ ঘটনায় তিনি আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

শনিবার কারখানাটি খুললে শ্রমিকরা কাজে যোগদান করেন। দুপুর সোয়া ২টারদিকে জামগড়া শিমুলতলা এলাকার চিহ্নিত দীপু, জুয়েল, মিরাজ কাইয়ুম ও সাফায়াতের নেতৃত্বে ১৫/১৬ জনের একটি দল লাঠিসোটা নিয়ে কারখানার সামনে এসে তাকেসহ তার সঙ্গীয়দের এলোপাথারীভাবে পিটিয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে।

এসময় কারখানার গেট ও একটি প্রাইভেটকার ভাংচুর করে। এতে তিনিসহ কারখানার প্যারোল অফিসার বশির হোসেন খান ও সুইং অপারেটর রাজীবকে পিটিয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করেছে ওই সন্ত্রাসীরা। আহতদের সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে, আশুলিয়া থানার উপ পরিদর্শক মিরাজ বলেন, কতিপয় সন্ত্রাসী চাঁদার দাবিতে ৩ জনকে মারধর করেছে। তবে কারখানার অভ্যন্তরে সন্ত্রাসীরা প্রবেশ করতে পারেনি। শ্রমিকরা আতঙ্কিত হয়ে কাজে যোগদান না করে বাসায় চলে গিয়েছে। চাঁদাবাজদের ধরতে অভিযান চলছে বলেও তিনি জানান।