গুরুতর অসুস্থ সৈয়দ আশরাফ সংসদ থেকে ছুটি নিলেন

গুরুতর অসুস্থ হয়ে ব্যাংককের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জনপ্রশাসনমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম জাতীয় সংসদ থেকে ৯০ কার্যদিবস ছুটি নিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার থেকে এই ছুটি কার্যকর হবে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে তার পক্ষে ছুটির আবেদনটি উত্থাপন করেন প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজ। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী ছুটির আবেদনটি পড়ে শুনানোর পর তা হ্যাঁ/না ভোটে দিলে হ্যাঁ ভোট জয়ী হয়।

স্পিকার বলেন, সংসদ কার্যপ্রণালী বিধির ১৭৯ এর ২ বিধি অনুসারে কোনো সংসদ সদস্যের অনুপস্থিতির ছুটি মঞ্জুরের আবেদন পাস করে শুনানিসহ বিতর্ক ব্যতিরেকে ভোটে দেয়ার বিধান রয়েছে। তিনি বলেন, অতীতের রেওয়াজ পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, প্রথম জাতীয় সংসদের ২১.১.১৯৭৪, ১৩.৬.১৯৭৪, ২৬.৬.১৯৭৫ এবং নবম জাতীয় সংসদের ১৮.৩.২০১২ ও ৫.৬.২০১৩ তারিখে সংসদের বৈঠকে কয়েকজন সদস্যের অনুরূপ ছুটির নজির রয়েছে।

এমপিদের উদ্দেশ্য করে স্পিকার বলেন, আপনারা সংসদ সদস্য জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ছুটি মঞ্জুরের বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করতে পারেন। আমি এখন বিধি অনুযায়ী মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের পক্ষে চিফ হুইপের আনীত পত্রটি পড়ে শুনাচ্ছি।

পারিবারিক সূত্র জানায়, তিনি বর্তমানে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন ইউনিটে চিকিৎসাধীন। জানা গেছে, গতকালও তার একটি অস্ত্রোপচার হয়েছে। তার চিকিৎসায় আরও অনেক দিন লাগবে।

তার ছুটির আবেদনটি পড়ে শোননোর পর স্পিকার তা হ্যাঁ/না ভোটে দিলে হ্যাঁ ভোটে তা মঞ্জুর হয়।