ধামরাইয়ে কারখানার কর্মকর্তাকে পিটিয়ে আহত, আটক ৩

ধামরাই প্রতিনিধি: ধামরাইয়ে একটি পোষাক কারখানার এক কর্মকর্তা প্রমোশন নেওয়ার লোভে তার উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটকদের পাঁচদিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী জানায়, ধামরাইয়ের ঢুলিভিটার কচমচ এলাকায় ¯েœাটেক্স আউটার ওয়ার নামক একটি পোষাক কারখানার এজিএম আল মামুনকে অফিস ছুটির পর গত বুধবার সন্ধ্যার পর ঢুলিভিটা এলাকায় মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে দুর্বৃত্তরা। মুমূর্ষুাবস্থায় তাকে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় আল মামুন বাদি হয়ে ধামরাই থানায় অজ্ঞাত নাম উল্লেখ করে অভিযোগ দায়ের করে।

অভিযোগের সূত্র ধরে ধামরাই থানার এস আই মলয় কুমার সাহা উপজেলার বড় চন্দ্রাইল এলাকার আবু বকর সিদ্দিকের ছেলে রাসেদকে আটক করে। রাসেদ ওই কারখানার চাকরিচ্যুত শ্রমিক। এরপর রাসেদের দেওয়া তথ্য মতে ওই কারখানার সিনিয়র ম্যানেজার ধামরাইয়ের উত্তর কেলিয়া গ্রামের সাইফুর রহমান স্বপন, কারখানার লাইন মেকানিক বড় চন্দাইল গ্রামের শামীম হোসেনকে আটক করে পুলিশ। সাইফুরের ইচ্ছাছিল আল মামুনকে হত্যা অথবা ভয়ভীতি ও মারপিট করে সড়িয়ে দিতে পারলেই ওই পদে (এজিএম) পদায়ন হবে সে।

আল মামুনকে মারতে পারলে প্রথমে মেকানিক শামীমকে দুই হাজার টাকা বেতন বৃদ্ধি করার পাশাপাশি পদোন্নতি দেওয়ার আশ^াস দেয় সাইফুর রহমান স্বপন। তার আশ^াসে রাসেদকে দিয়ে অন্যান্য দুর্বৃত্তদের সাথে যোগাযোগ করে মামুনকে ব্যাপক পেটানো হয়। ২৪ ঘন্টা সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে রাখার পর মামুনের জ্ঞান ফিরে আসে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে সেলাই করা হয়েছে।

ধামরাই থানার উপপরিদর্শক (এস আই) মলয় কুমার সাহা বলেন, প্রমোশনের লোভ ও ব্যক্তিগত আক্রোশে সাইফুর রহমানের ইন্দনে সন্ত্রাসীদের দিয়ে মারপিট করেছে আল মামুনকে। এ ঘটনায় আটক তিনজনকে পাঁচদিনের রিমান্ড চেয়ে আজ শুক্রবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আল মামুন জানায়, আমাকে পেটানোর পর সহমর্মিতা দেখানোর জন্য সিনিয়র ম্যানেজার সাইফুর রহমান বিভিন্ন ধরনের ফল, মিষ্টি নিয়ে আমাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিল। আমি তখনও বুঝতে পারেনি আমার শত্রুই আমার জন্য ফল মিষ্টি খাওয়াতে গেছে হাসপাতালে।