আন্দোলন-কর্মসূচি নেই, তবু কেন গণগ্রেপ্তার চলছে: মোশাররফ

: সারা দেশে নতুন করে গণগ্রেপ্তার শুরু হয়েছে। দলের কোনো আন্দোলন-কর্মসূচি নেই এবং রাজপথে কোনো কর্মী নেই। কিন্তু এখন কেন গণগ্রেপ্তার চলছে, তা জানতে চেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

রবিবার জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনটির নেত্রীদের সঙ্গে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এরপর তিনি সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন।

এসময় তিনি আরো বলেন, ‘চিকিৎসার পর তিনি সুস্থ হলে তার বিচার করা হোক, এতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।বিএনপির চেয়ারপারসন কারাবন্দী খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে তাকে বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘সারা দেশে নতুন করে গণগ্রেপ্তার শুরু হয়েছে। দলের কোনো আন্দোলন-কর্মসূচি নেই এবং রাজপথে কোনো কর্মী নেই। কিন্তু এখন কেন গণগ্রেপ্তার চলছে? উদ্দেশ্য হচ্ছে খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে, দলের নেতাদের আদালতের কাঠগড়ায় রেখে, বিএনপি ও ২০ দলকে বাইরে রেখে সরকার নির্বাচন করতে চায়’।

নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে মোশাররফ হোসেন বলেন, নির্বাচন হতে হবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করে, সংসদ ভেঙে দিয়ে এবং সেনাবাহিনীর মোতায়েন করতে হবে। খালেদা জিয়াকে নিয়ে বিএনপি নির্বাচনে যাবে।

এসময় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে করে মোশাররফ হোসেন বলেন, বিএনপি নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আদায় করবে। খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে নির্বাচনে যাবে। সরকার যতই ষড়যন্ত্র করুক, এবার সরকার পার পাবে না।

বিশেষায়িত হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা করার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে যাবে বিএনপি। এ বিষয়ে মোশাররফ হোসেন বলেন, আজ বেলা তিনটায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে অবিলম্বে খালেদা জিয়াকে বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে চিকিৎসা করানোর দাবি জানানো হবে।

জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খানসহ সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।