ইয়াবা পাচারের মামলায় এসআই রিমান্ডে

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা : চট্টগ্রামে ইয়াবা পাচারের মামলায় গ্রেপ্তার পুলিশের বরখাস্ত হওয়া এক উপপরিদর্শকের (এসআই) দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। তার নাম বদরুদ্দৌজা মাহমুদ।

তিনি চট্টগ্রাম দামপাড়া পুলিশ লাইনে সংযুক্ত ছিলেন।মঙ্গলবার চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম শহীদুল্লাহ কায়সার শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

শুক্রবার ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই নিজামপুর এলাকা থেকে ইয়াবাসহ চালক ও সহকারীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তারা হলেন চালক মোক্তার হোসেন ও সহকারী মো. সজিব। এ সময় ২৯ হাজার ২৮৫টি ইয়াবা বড়ি জব্দ করে র‌্যাব।

গ্রেপ্তার দুজন জানিয়েছেন, ইয়াবাগুলো পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) বদরুদ্দৌজা মাহমুদের। ফার্নিচারের আড়ালে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় ইয়াবাগুলো তিনি নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ ঘটনায় র‌্যাব বাদী হয়ে মিরসরাই থানায় মামলা করেছে।

পরে বদরুদ্দৌজাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ইয়াবা পাচারে জড়িত থাকায় তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার করে মিরসরাই থানার পুলিশ।

চট্টগ্রাম জেলা কোর্ট পরিদর্শক বিজন কুমার বড়ুয়া বলেন, আসামি বদরুদ্দৌজাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে মিরসরাই থানার পুলিশ মাদক মামলায় সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে। শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে ১২ জুলাই সাময়িক বরখাস্ত হওয়া চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. রেদোয়ানকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। তার কাছ থেকে ১ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

২০১৬ সালের ২৬ নভেম্বর নগরের কোতোয়ালি থানার সরকারি সিটি কলেজের ফটকের সামনে থেকে একটি প্রাইভেট কারে তল্লাশি চালিয়ে রেদোয়ানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ সময় তার কাছ থেকে ১ হাজার ৭০০টি ইয়াবা বড়ি পাওয়া যায়। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় করা মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।

এখনো বিচার শেষ হয়নি। গ্রেপ্তারের পর ছয় মাস কারাভোগ করে জামিনে মুক্তি পান রেদোয়ান। সর্বশেষ ৩০ জুলাই রাতে নগরের বাকলিয়া থানার পশ্চিম বাকলিয়া এলাকার একটি বাসা থেকে ৪ হাজার ১০০টি ইয়াবা উদ্ধার করে র‌্যাব।

বাসাটি নগরের বাকলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খন্দকার সাইফ উদ্দিনের। এ সময় তার সোর্স নাজিম উদ্দিন ওরফে মিল্লাতকে গ্রেপ্তার করা হয়।