মেয়েদের যা দেখে ছেলেরা প্রেমে পড়ে

সিনেমা-নাটকে দেখা যায় নায়িকার সুন্দর চেহারা দেখেই প্রথম দেখায় প্রেমে পড়ে যায় নায়ক। এমনটা যে বাস্তবে হয় না, তা নয়। কিন্তু প্রথম দেখায় প্রেমে পড়ে গেলেও তা কিন্তু আসলে প্রেম নয়। সেটি হতে পারে সাময়িক ভালোলাগা। যার স্থায়িত্ব খুব বেশিদিন হয় না। কিন্তু একজন মানুষের প্রেমে হুট করেই পড়া যায় না। দীর্ঘ সময় ধরে তার চলা, কথাবলা, ভালোলাগা, মন্দলাগা পর্যবেক্ষণ করার পর একটা সময় মনে হতে পারে আপনি তার প্রেমে পড়ে গেছেন। কারণ তার স্বভাব অনেকটাই আপনার চাওয়ার মতো। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ছেলেরা মেয়েদের যে গুণগুলো দেখে প্রেমে পড়ে তা হলো-

বেশিরভাগ ছেলেই পরিপাটি মেয়ে পছন্দ করে। কারণ তারা নিজেরা খুব বেশি গোছালো হতে পারে না। তাই এমন একজনকে খোঁজে যে তার অগোছালো সবকিছু যত্ন নিয়ে গুছিয়ে দেবে। আর তাইতো পরিপাটি স্বভাবের মেয়ে দেখলে তার প্রতি অজান্তেই নির্ভরশীল হতে চায় ছেলেদের মন। হয়তো সেখান থেকেই হতে পারে প্রেমের সূচনা।

হাসিখুশি

হাসি দিয়ে নাকি বিশ্বজয় করা যায়! কথাটা অনেকটাই ঠিক। কারণ সারাক্ষণ হাসিমুখে আছেন এর মানে হলো আপনি অনেক দুশ্চিন্তা, কষ্ট ভুলে আছেন। হাসিখুশি মানুষেরা কঠিন কাজটাও সহজে করে ফেলেন। তাইতো হাসিখুশি মেয়েদের প্রতি ছেলেদের টান তৈরি হতে সময় লাগে না।

উদারতা

মেয়েদের অহেতুক হিসেব কষায় বিরক্ত হয় বেশিরভাগ ছেলেই। কারণ তারা অত বেশি হিসাব-নিকাশ পছন্দ করে না। উদার মনের মেয়েটিকেই ছেলেরা বেশি পছন্দ করবে কারণ তাদের কাছে কথায় কথায় কৈফিয়ত দিতে হয় না।

মিশুক

সহজভাবে সবার সঙ্গে মিশতে পারা একটি বড় মাপের গুণ। এরকম একজন মানুষকে সঙ্গী হিসেবে পেলে মুক্ত থাকা যায় অনেক দুশ্চিন্তা থেকেই। বিয়ের পরে পারিবারিক সম্পর্কগুলো সুন্দর রাখতে এরকম মেয়েরাই সক্ষম। যে মেয়ের মধ্যে সবাইকে আপন করে নেয়া, নিমেষেই ভালোবাসার গুণ আছে তার প্রেমে ছেলেরা পড়বেই!

দায়িত্বশীল

অনেকের ধারণা ছেলেরা পুতুল ধরনের মেয়ে পছন্দ করে। আসলে কিন্তু তা নয়। যে মেয়েটি সব দায়িত্ব ভাগাভাগি করে নিতে জানে, ছেলেরা তাকেই পছন্দ করে।