বাবার মৃত্যু শোক নিয়েই শুটিংয়ে জুনিয়র এনটিআর

বিনোদন ডেস্ক :  বাবা হারানোর ব্যথা ভোলা খুব একটা সহজ নয়। কিন্তু দায়িত্ববোধ ও পেশাদারিত্বের কারণে সেই শোক নিয়েই শুটিং সেটে হাজির হয়েছেন ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা জুনিয়র এনটিআর।

গত ৩০ আগস্ট জুনিয়র এনটিআর-এর বাবা অভিনেতা হরিকৃষ্ণের শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়। আর এর দুইদিন পরেই সিনেমার শুটিংয়ে হাজির হন দুই ছেলে জুনিয়র এনটিআর ও কল্যাণ রাম। অরবিন্দা সামেতা বীরা রাঘবা সিনেমার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন জুনিয়র এনটিআর। বাবার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে শনিবার থেকে আবারো সিনেমাটির শুটিং শুরু করেছেন তিনি।

আগামী অক্টোবরে সিনেমাটির মুক্তির কথা রয়েছে। সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ এটির শুটিং শেষ করতে হবে। তাই প্রযোজক ও সিনেমাটি নিয়ে দর্শকের আগ্রহের কথা মাথায় রেখে শোক নিয়েই শুটিং সেটে হাজির হয়েছেন জুনিয়র এনটিআর। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে।

জানা গেছে, সিনেমার একটি গানের শুটিং করেছেন এনটিআর। পারিবারিক এই গানটির শুটিং করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। এ অভিনেতার এমন অবস্থা দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শুটিং সেটে উপস্থিত অন্যান্য সদস্য। এরপর সেই অংশের শুটিং শেষ হলে, জুনিয়র এনটিআর-এর জন্য সবাই হাততালি দিয়ে তাকে সাধুবাদ জানান। হায়দরাবাদে সিনেমাটির শুটিং হয়েছে। অন্যদিকে কেভি গুহন পরিচালিত নাম ঠিক না হওয়া একটি সিনেমার শুটিং করছেন কল্যাণ রাম।

গত ২৯ আগস্ট সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন জুনিয়র এনটিআর ও অভিনেতা কল্যাণ রামের বাবা নন্দামুরি হরিকৃষ্ণ। তিনি দক্ষিণের চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক এবং অন্ধ্র প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত নন্দমুরি তারকা রমা রাওয়ের ছেলে। দায়দরাবাদ থেকে নেলোরে একটি বিয়েতে যাচ্ছিলেন তিনি। জানা গেছে, এসময় নিজেই গাড়ি চালাচ্ছিলেন এবং এর গতি ছিল ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার। রাস্তার একটি ডিভাইডারের সঙ্গে তার গাড়িটি ধাক্কা লাগলে তিনি ছিটকে পড়েন এবং মাথায় ও বুকে আঘাত পান। পরবর্তীতে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।