২৯ বলে শূন্য করে রেকর্ড পান্ডের

 ইংল্যান্ডের সাউথাম্পটন টেস্টের দ্বিতীয় দিনে ইংল্যান্ডের করা ২৪৬ রানের জবাবে ভারত করেছে ২৭৩ রান। খেলায় ভারতের প্রথম ইনিংসে বিপর্যয়ের মুহূর্তে ব্যাট করতে নামেন পান্ডে। ১৬১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে তখন ধুঁকছিলেন সফরকারীরা। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে নেমে খোলসে ঢুকে যান তিনি।

এদিকে খেলায় কোনোভাবেই স্বাভাবিক হতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত অফস্পিনার মঈন আলির শিকার হয়ে ২৯ বলে শূন্য রান করে সাজঘরে ফেরেন এ প্রতিশ্রুতিশীল ক্রিকেটার। এতেই রেকর্ডবুকে নাম উঠে যায় তার।

প্রসঙ্গত, অভিষেক টেস্টের প্রথম ইনিংসে ছক্কা হাঁকিয়ে রানের খাতা খুলেছিলেন ঋশভ পান্ডে। খেলেছিলেন ২৪ রানের এক ঝড়ো ইনিংস। আর তার মাধ্যমে নটিংহাম টেস্ট জয়ে রেখেছিলেন ভূমিকা। কয়েকদিনের ব্যবধানে মুদ্রার উল্টো পিঠও দেখলেন তিনি। ২৯ বল খেলেও কোনো রান করতে পারেননি তরুণ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত এক রেকর্ডে নাম উঠেছে তার।

এর আগে ২৯ বলে শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন আরও দুই ভারতীয়-ইরফান পাঠান ও সুরেশ রায়না। মজার ব্যাপার হলো পান্তের মতো সেই দুজনই ছিলেন বাঁহাতি ব্যাটার। উভয়ই শিকার ছিলেন অফস্পিনারের।

২০০৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে বেঙ্গালুরু টেস্টে এই তেতো স্বাদ পেয়েছিলেন ইরফান। ২৯ বলে শূন্য করে আরশাদ খানের শিকার হয়েছিলেন তিনি। আর ২০১১ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওভালে এই বাজে অভিজ্ঞতা হয় রায়নার। ২৯ বলে শূন্য করে গ্রায়েম সোয়ানের স্টাম্পড হয়েছিলেন তিনি।

তবে বিশ্বরেকর্ডের ধারেকাছেও নেই ভারতীয়রা। সবচেয়ে বেশি বল খেলে শূন্য রান করার রেকর্ডটি জেফ অ্যালটের। ১৯৯৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অকল্যান্ডে ৭৭ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি তিনি। কিউই ব্যাটারের রেকর্ডটি একরকম ধরাছোঁয়ার বাইরে।

অ্যালটের নিকটে আছেন জিমি অ্যান্ডারসন। ২০১৪ সালে শ্রীলংকার বিপক্ষে হেডিংলি টেস্টে ৫৫ বলে শূন্য করেন তিনি। ৫২ বলে শূন্য করার কীর্তি আছে রিচার্ড এলিসনের। তিনিও ইংলিশ।

পান্ত-রায়নাদের মতো বাংলাদেশের হয়েও ২৯ বলে শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন একজন। ২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ক্যান্ডি টেস্টে এই অভিজ্ঞতা হয়েছিল রাজিন সালেহর। তবে বাংলাদেশের হয়ে রেকর্ডে রাজিনের ওপরে আছেন আরও একজন। ২০০২ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেই সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে মঞ্জুরুল ইসলাম শূন্য করেছিলেন ৪১ বলে!