বিমসটেক সম্মেলন শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

বিমসটেক চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে দু’দিনের সরকারি সফরে শেষে নেপাল থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার দুপুর ২টা ৪৬ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে বহনকারী বিমান এসে পৌঁছায়। এর আগে দুপুর ১টায় ফ্লাইট বিজি১৮৭৪-তে ঢাকার উদ্দেশ্যে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ত্যাগ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশনের (বিমসটেক)-এর চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দু’দিনের সরকারি সফরে গতকাল (বৃহস্পতিবার) নেপাল যান। সকাল সোয়া ৯টায় কাাঠমান্ডুতে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন। বৈঠকে তারা বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে একত্রে কাজ অব্যাহত রাখতে সম্মত হয়েছেন।

বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, তারা (শেখ হাসিনা ও মোদি) বলেছেন, ‘আমরা আমাদের দুই দেশের জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে একত্রে কাজ অব্যাহত রাখতে চাই।’

শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি এবং ভুটানের প্রধান উপদেষ্টা (অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান) দাশো সেরিং ওয়াংচুকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সোয়ালটি ক্রাউন প্লাজা হোটেলে অনুষ্ঠিত ৪র্থ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে যোগ দেন। বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে এবার সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা, আঞ্চলিক যোগাযোগ এবং ব্যবসা-বাণিজের উন্নয়নের বিষয়ে সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর নেতৃবৃন্দের অলোচনার মূল বিষবস্তু ছিল।

বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ভুটান ও নেপালের নেতৃবৃন্দ সম্মেলনে তাদের তিন বাহিনীর সম্মিলিত সামরিক অনুশীলন এবং একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়েও মতবিনিময় করেন।