লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া ও যাত্রী নয় : নৌমন্ত্রী

ঈদযাত্রায় লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া না নিতে ও অতিরিক্ত যাত্রী বহন না করতে আহ্বান জানিয়েছেন  পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান। খারাপ আবহাওয়ায় লঞ্চ চালানো থেকে বিরত থাকতে লঞ্চ মালিকদের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

রোববার সদর ঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শনকালে তিনি এ পরামর্শ দেন। এ সময় বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর এম মোজাম্মেল হক, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর সৈয়দ আরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

লঞ্চ মালিক ও যাত্রীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া নেবেন না, অতিরিক্ত যাত্রী উঠবেন না। লঞ্চের ছাদেও অতিরিক্ত যাত্রী বহন করবেন না। খারাপ আবহাওয়া দেখলে লঞ্চ চালাবেন না।

তিনি বলেন, লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হলে, সরকারি নির্দেশনা না মানলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। নিরাপদে বাড়ি যাওয়া নিশ্চিত করতে সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, নৌপথে যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াতের লক্ষ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ, জেলা ও পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টরা নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যাত্রীদের যাতায়াত আনন্দময় হবে। যাত্রী, নৌযান মালিক, শ্রমিক ও সংশ্লিষ্টদের সচেতনার ফলে গত চার বছরে বড় ধরনের কোনো লঞ্চ দুর্ঘটনা ঘটেনি।

শাজাহান খান বলেন, সদর ঘাটে হকারমুক্ত সুন্দর পরিবেশ বিরাজ করছে। এখানে মলম পার্টি বা অজ্ঞান পার্টির কোনো ধরনের উৎপাত নেই। এসব কিছুই সম্ভব হয়েছে সরকারের আন্তরিকতার কারণে। ঈদের সময় স্বাভাবিকের চেয়ে যাত্রীদের চাপ অনেক বেশি থাকে। যাত্রীদের সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে নৌযানের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে সরকারের আন্তরিকতার অভাব নেই।

ঢাকা সদর ঘাট টার্মিনালে লঞ্চে যাতায়াতের সুবিধার্থে ২০টি পন্টুন রয়েছে। সদরঘাটের এক নম্বর টার্মিনাল ভবনের পূর্বদিকে লালকুঠি ও শ্যামবাজার পর্যন্ত পন্টুন এলাকা বাড়ানো হয়েছে এবং পার্কিং ইয়ার্ড করা হয়েছে।

পরে মন্ত্রী টার্মিনাল ভবন-২ এ নবনির্মিত মসজিদ এবং ঢাকা নদীবন্দরের নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তার কার্যালয় উদ্বোধন করেন।