নর্থ সাউথ ও ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ১২ ছাত্রের জামিন নামঞ্জুর

 রাজধানীতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনের সময় পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার মামলায় নর্থ সাউথ ও ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ১২ ছাত্রের জামিন না মঞ্জুর করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।

এর আগে সোমবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনের সময় পুলিশের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের দুই মামলায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আট শিক্ষার্থীর জামিন নাকচ করেছে আদালত।

ঢাকা মহানগর হাকিম প্রণব কুমার হুই এ আদেশ দেন। ঢাকার অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার আনিসুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উপকমিশনার আনিসুর রহমান বলেন, আজ ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে আট শিক্ষার্থীর পক্ষে জামিন চেয়ে আবেদন করেন একাধিক আইনজীবী। শুনানি শেষে বিচারক জামিনের আবেদন নাকচ করে দেন।

আনিসুর রহমান আরো জানান, আট শিক্ষার্থী হলেন সাবের আহম্মেদ উল্লাস, শিহাব শাহরিয়ার, সাখাওয়াত হোসেন নিঝুম, জাহিদুল হক, নূর মোহাম্মদ, রাশেদুল ইসলাম বায়েজিদ, মুশফিকুর রহমান ও হাসান।

আসামিদের প্রথম তিনজন ভাটারা থানায় দায়ের করা মামলার আসামি ও বাকিরা বাড্ডা থানায় করা মামলার আসামি।

এদিকে একই মামলায় রবিবার তরিকুল ইসলাম, রেদোয়ান আহম্মেদ, মাসহাদ মুর্তজা আহাদ ও আজিজুল করিম অন্তরের জামিন নাকচের আদেশ দেন আদালত।

গত ৭ আগস্ট বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ শিক্ষার্থীর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত। রিমান্ড শেষে ৯ আগস্ট তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার অপর আসামিরা হলেন রিসালাতুন ফেরদৌস, ইফতেখার আহম্মেদ, রেজা রিফাত আখলাক, এ এইচ এম খালিদ রেজা ওরফে তন্ময়, তরিকুল ইসলাম, সীমান্ত সরকার, ইকতিদার হোসেন, ফয়েজ আহম্মেদ আদনান, মেহেদী হাসান ও আমিনুল এহসান বায়েজিদ।

আসামিদের মধ্যে ১৪ জন বাড্ডা থানার এবং আটজন ভাটারা থানার মামলার আসামি। তাঁরা বেসরকারি ইস্ট ওয়েস্ট, নর্থ সাউথ, সাউথইস্ট, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় এবং আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।