এগিয়ে থেকেও চিন্তা মুক্ত হতে পারছেন না আরিফুল

সিলেট সংবাদদাতা : গত মাসে অনুষ্ঠিত সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে স্থগিত দুই ভোট কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ চলছে। নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী চার হাজারোর্ধ ভোটে এগিয়ে থাকলেও চিন্তা মুক্ত হতে পারছেন না।

তার নিকটতম প্রার্থী ভোট পাওয়ার দৌঁড়ে তার কাছাকাছিই। আরিফুলের চিন্তার কারণও সেটাই। ৮৫ হাজার আর ৯০ হাজার হাজারের বিচারের একেবারে কাছাকাছি। কিন্তু ভোটে জিততে এক ভোট ব্যবধানই যথেষ্ট।

শনিবার পুনঃভোটে আরিফ এগিয়ে থেকেও ‘সিরিয়াস’ থাকছেন আর হারানোর কিছু নেই জেনে অনেকটা ‘টেনশন ফ্রি’ মুডে আছেন কামরান।

শনিবার বিকেল ৪টার পরেই সিলেট সিটি নির্বাচনের সকল হিসেব-নিকেশের চূড়ান্ততা পেতে যাচ্ছে। সেইক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ও তার দলীয় নেতাকর্মীরা নির্ভার থাকলেও, চাপা চিন্তা বিরাজ করছে বিএনপির নেতাকর্মীর মাঝে।

জয়ের হিসাবটা চূড়ান্ত করতে এখন পর্যন্ত বেশ গভীর মনোযোগী হিসেবে মাঠে রয়েছেন আরিফুল হক চৌধুরী। ইতোমধ্যে তিনি স্থগিত হওয়া কেন্দ্রের ভোটারদের মৃত ও প্রবাসী ভোটারদের সংখ্যা জানান দিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও সিলেটের রির্টানিং কর্মকর্তার কার্যালয় ঘুরে এসেছেন।

অন্যদিকে জয়ের আশা ছেড়ে আবারো দলীয় কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত হচ্ছেন কামরান। সম্প্রতি তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে সিলেটে জাতীয় শোক দিবস কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি নিয়েছেন।

জয়ের আশা নেই জেনেও পুনঃভোটে অংশ নেয়ার ব্যাপারে কামরান জানান, ‘গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতেই পুনঃভোটে অংশ নিচ্ছি। ভোটের দিন দুই কেন্দ্রের ভোটারদের কাছেই আমি যাব।’

অন্যদিকে আরিফ ভোটকেন্দ্রগুলো বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন বলে জানিয়েছেন-‘সকাল থেকেই আমি মাঠে থাকব, দুই কেন্দ্র মনিটরিং করব’।

উল্লেখ্য, গত ৩০ জুলাই জেলার ২৪ ও ২৭ নং ওয়ার্ডের দু’টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়।

৩০ জুলাই ১৩২টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে আরিফ পেয়েছিলেন ৯০ হাজার ৪৯৬ ভোট। নৌকা প্রতীকে কামরান পেয়েছিলেন ৮৫ হাজার ৮৭০ ভোট। দু’জনের ভোটের ব্যবধান ৪ হাজার ৬২৬।

স্থগিতকৃত দুই ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ হাজার ৭৮৭। এর মধ্যে মারা গেছেন ও প্রবাসে রয়েছেন ২৯৮ জন ভোটার। চাকুরির কারণে আরও ৩ জন বদলি হয়েছেন অন্যত্র।