হজ ফ্লাইট নিয়ে শঙ্কা কাটেনি

আর কয়েক দিনের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে হজ ফ্লাইটের কার্যক্রম শেষ হবে। পর্যাপ্ত যাত্রী না পাওয়ায় এরই মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। আরও কমপক্ষে ৮টি ফ্লাইটের টিকিট অবিক্রীত রয়েছে এয়ারলাইন্সটির। এসব ফ্লাইটের টিকিট যথাসময়ে বিক্রি না হলে ঝুঁকিতে পড়বেন কমপক্ষে ১ হাজার হজ গমনেচ্ছু।

জানা গেছে, বাংলাদেশ থেকে ১৬ আগস্ট হজযাত্রী নিয়ে শেষ ফ্লাইট ছেড়ে যাবে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৪ ও ১৫ আগস্টের ৮টি ফ্লাইটের টিকিট এখনও অবিক্রীত রয়েছে। হজ এজেন্সিগুলো হজযাত্রীদের সৌদি আরবে বাড়িভাড়া ও ভিসা জটিলতায় এ সংকট তৈরি হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজ বলেন, ‘হজযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে বিমানের পক্ষ থেকে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে। এ বছর সৌদি সরকার অতিরিক্ত হজ ফ্লাইটের অনুমোদন দেবে না। ফলে এখনও নির্ধারিত যেসব ফ্লাইটের টিকিট অবিক্রীত রয়েছে, সেগুলো বিক্রি না হলে অনিশ্চতায় বাড়বে।’
হজ অফিস জানিয়েছে, ৯ আগস্ট সকাল ৯টা পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৫১ হাজার ২৮৪ জন, সৌদি এয়ারলাইন্সে পৌঁছেছেন ৪৮ হাজার ৭৯ জন।
হজ অফিস জানিয়েছে, এবার বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৬ হাজার ৭৯৮ জন পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরব যাবেন। এরমধ্যে ৯ আগস্ট সকাল ৯টা পর্যন্ত ১লাখ ১৯ হাজার ২০ জন সৌদি আরবের ভিসা পেয়েছেন।
জানা গেছে, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে এবার সম্ভাব্য হজের তারিখ ২১ আগস্ট। ১৪ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে হজ ফ্লাইট। ১ লাখ ২৬ হাজার ৭৯৮ জন হজযাত্রীর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬ হাজার ৭৯৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২০ হাজার জন সৌদি আরব যাচ্ছেন। হজ শেষে হাজিদের ফিরিয়ে আনতে ফ্লাইট শুরু হবে ২৭ আগস্ট।
হাব মহাসচিব শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেন, ‘এ বছর যারা হজে যাওয়ার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন সবাই যেতে পারবেন। কেউ বাদ পড়বেন না। শঙ্কার কোনও কারণ নেই। বিমানের যদি কোনও টিকিট অবিক্রীত থাকে সেটি তাদের তাদের সমস্যা, এজন্য হজযাত্রায় কোনও সমস্যা হবে না।’
এ প্রসঙ্গে হজ অফিসের পরিচালক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এখনও সুষ্ঠুভাবে সব হজযাত্রীকে সৌদি আরবে পাঠাতে কাজ করে যাচ্ছি। আশা করছি কোনও সমস্যা হবে না।’