কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জাতির চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে: ফখরুল

 ‘কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জাতির চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এসময় নিরাপদ সড়কের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে ‘জড়িয়ে’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সংশ্লিষ্ট যে অডিওটি ছড়িয়েছে, সেই ‘বার্তা’ সমর্থন করার কথা জানিয়েছে বিএনপি।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার দুদিন পর রবিবার বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, সংবাদ সম্মেলন করেই দলের পক্ষ থেকে এই আন্দোলনে সমর্থন দেওয়া হয়েছে।

দুপুরে দলের নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল করির রিজভী প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘চলমান শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কথোপকথন ফাঁসে অপরাধ কোথায়? সমস্ত দেশই তো তাদের পক্ষে। আমরা আগেই শিক্ষার্থীদের এই যৌক্তিক আন্দোলনে সমর্থন জানিয়েছিলাম। শিক্ষণীয় আন্দোলন করছে তারা। দেশের সব রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুলিশ, বুদ্ধিজীবী সবাই বলছে যৌক্তিক।’

‘তবে তার (আমীর খসরু) কথা বিকৃত করে ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। কারণ এখন তো সবই করা যায়,’ এটাও যুক্ত করেন বিএনপির মহাসচিব।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমীর খসরুর কথোপকথন জের ধরে গতকাল রাতে দুবার অভিযান চালানো হয়েছে তাকে গ্রেপ্তার করার জন্য। কিন্তু কেন? তিনি তো সাবেক মন্ত্রী। এটিকে কেন্দ্র করে গতকাল ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়েছে। এগুলো সবই গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ওপর অভিযানের শামিল। বিএনপিকে নিয়ে গত কয়েক দিনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যে ভাষায় কথা বলছে, এটি শুধু আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য।’

ফখরুল বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া বার্নিকাটের ওপর হামলা আর দেশটির ওপর হামলার শামিল। গতকাল রাতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের মোহাম্মদপুরের বাসায় নৈশভোজে গিয়েছিলেন। তার আগেই সেখানে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা জড়ো হয়েছিল। তিনি বের হলে তার ওপর হামলা চালানো হয়। এ হামলায় বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ব্যাপকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। এ হামলার সঙ্গে জড়িত আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। আমরা অবিলম্বে তাদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’

চলমান আন্দোলন নিয়ে মির্জা আলমগীর বলেন, ‘কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জাতিকে শিক্ষা দিয়ে দিয়েছে। এবার আমরা যারা বড় আছি, তাদের মাঠে নেমে আসতে হবে। অবৈধ সরকার জনগণের ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসে আছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জাতির চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। বড়দের একটা শিক্ষা হয়েছে। এখন সরকার হটাতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বড়দেরই মাঠে নেমে আসতে হবে।’

আন্দোলনে বিএনপিকে জড়িয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্যের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, অতীতেও সরকার আন্দোলন ভিন্ন খাতে নিতে বিএনপিকে জড়িয়েছে বক্তব্য দিয়েছে। এবারও একই পন্থা বেছে নিয়েছে। মূলত তারা দেশের জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

জিগাতলায় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার বিষয়ে বিএনপির শীর্ষ এ নেতা বলেন, গতকাল ধানমণ্ডিতে নিরীহ ছাত্রছাত্রীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। এতে বেশ কিছু শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি। সারা দেশেই এই সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে তারা। প্রকৃতপক্ষে আওয়ামী লীগ অনির্বাচিত স্বৈরাচারী সন্ত্রাসী দল। তাদের কাছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জীবনের কোনো মূল্য নেই।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার দুদিন পর রবিবার বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, সংবাদ সম্মেলন করেই দলের পক্ষ থেকে এই আন্দোলনে সমর্থন দেওয়া হয়েছে।

দুপুরে দলের নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল করির রিজভী প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘চলমান শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কথোপকথন ফাঁসে অপরাধ কোথায়? সমস্ত দেশই তো তাদের পক্ষে। আমরা আগেই শিক্ষার্থীদের এই যৌক্তিক আন্দোলনে সমর্থন জানিয়েছিলাম। শিক্ষণীয় আন্দোলন করছে তারা। দেশের সব রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুলিশ, বুদ্ধিজীবী সবাই বলছে যৌক্তিক।’

‘তবে তার (আমীর খসরু) কথা বিকৃত করে ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। কারণ এখন তো সবই করা যায়,’ এটাও যুক্ত করেন বিএনপির মহাসচিব।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমীর খসরুর কথোপকথন জের ধরে গতকাল রাতে দুবার অভিযান চালানো হয়েছে তাকে গ্রেপ্তার করার জন্য। কিন্তু কেন? তিনি তো সাবেক মন্ত্রী। এটিকে কেন্দ্র করে গতকাল ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়েছে। এগুলো সবই গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ওপর অভিযানের শামিল। বিএনপিকে নিয়ে গত কয়েক দিনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যে ভাষায় কথা বলছে, এটি শুধু আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য।’

ফখরুল বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া বার্নিকাটের ওপর হামলা আর দেশটির ওপর হামলার শামিল। গতকাল রাতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের মোহাম্মদপুরের বাসায় নৈশভোজে গিয়েছিলেন। তার আগেই সেখানে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা জড়ো হয়েছিল। তিনি বের হলে তার ওপর হামলা চালানো হয়। এ হামলায় বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ব্যাপকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। এ হামলার সঙ্গে জড়িত আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। আমরা অবিলম্বে তাদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’

চলমান আন্দোলন নিয়ে মির্জা আলমগীর বলেন, ‘কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জাতিকে শিক্ষা দিয়ে দিয়েছে। এবার আমরা যারা বড় আছি, তাদের মাঠে নেমে আসতে হবে। অবৈধ সরকার জনগণের ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসে আছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জাতির চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। বড়দের একটা শিক্ষা হয়েছে। এখন সরকার হটাতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বড়দেরই মাঠে নেমে আসতে হবে।’

আন্দোলনে বিএনপিকে জড়িয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্যের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, অতীতেও সরকার আন্দোলন ভিন্ন খাতে নিতে বিএনপিকে জড়িয়েছে বক্তব্য দিয়েছে। এবারও একই পন্থা বেছে নিয়েছে। মূলত তারা দেশের জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

জিগাতলায় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার বিষয়ে বিএনপির শীর্ষ এ নেতা বলেন, গতকাল ধানমণ্ডিতে নিরীহ ছাত্রছাত্রীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। এতে বেশ কিছু শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি। সারা দেশেই এই সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে তারা। প্রকৃতপক্ষে আওয়ামী লীগ অনির্বাচিত স্বৈরাচারী সন্ত্রাসী দল। তাদের কাছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জীবনের কোনো মূল্য নেই।