রোহিঙ্গা সংকট স্থান পাচ্ছে না বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে

ফুলকি ডেস্ক : নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে শুরু হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাতটি দেশের সংগঠন বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ মাল্টি সেক্টরাল টেকনিক্যাল আ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (বিমসটেক)-এর চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলন। বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড মিয়ানমার এবং নেপালেরর সরকার প্রধানরা সম্মেলনটিতে অংশ নিলেও সম্মেলনে আলোচনায় স্থান পাচ্ছেনা রোহিঙ্গা সংকট।

কাঠমান্ডুতে ৩০ থেকে ৩১ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য ঐ সম্মেলনের প্রথম দিন ২৮ আগস্ট প্রস্তুতি সভা, ২৯ আগস্ট সদস্য দেশগুলোর পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে সভা, ৩০-৩১ আগস্ট পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকসহ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। শেখ হাসিনা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচি যোগ দিতে পারেন।

বিমসটেক সম্মেলনের বাইরে সাইড লাইনে এ তিন নেতা মিলিত হতে পারনে। আশা করা হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তার স্বার্থে সাইডলাইনে রোহিঙ্গা ইস্যুতে কথা হতে পারে তিন প্রতিবেশির। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গত রোববার এ নিয়ে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হকের সভাপতিত্বে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ মোকাবেলা, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও পর্যটন শিল্পের বিকাশসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।

আঞ্চলিক জোট গঠনের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্য ১৯৯৭ সালে বিসটেক গঠন করে বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড। পরে মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান যোগ দিলে নাম পরিবর্তন করে ‘বিমসটেক’ করা হয়। বিমসটেকে রূপান্তরিত হওয়ার পর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য ১৪টি বিষয় নির্ধারণ করা হয়।