শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, যা বললেন তৌসিফ

সহপাঠির মৃত্যু কোনওভাবেই মেনে নিতে পারছে না স্কুল-কলেজের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। এমন অবস্থায় যেন ক্লাসে মনোযোগ থাকে না তাদের। শোক-ক্ষোভ উভয়ই কাজ করে তাদের ভিতরে। এর ফলে তৈরি হয় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার। আর এ প্রতিক্রিয়াই তাদের নিয়ে আসে পথের দ্বারপ্রান্তে!

রবিবার (২৯ জুলাই) বাসচাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রবি, সোম, মঙ্গলবার শেষে বুধবার (১ আগস্ট) সড়কে নেমে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। রবি ও সোমবার ভালো গেলেও মঙ্গলবার পথে নেমেই পুলিশের মুখোমুখী হতে হয় শিক্ষার্থীদের।

এরপর চতুর্থ দিনের মতো আন্দোলন অব্যহত রাখে শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার ঢাকার বেশ কয়েক জায়গায় লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেসব ঘটনার ছবি ও ভিডিও ঘুরে ফিরছে। মিরপুরে শহীদ স্মৃতি পুলিশ কলেজের ছাত্রদের অবরোধকালে পুলিশের লাঠিচার্জে মাথা ফেটে যায় এক শিক্ষার্থীর- এমন একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। একই প্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের ছবি ভাইরাল হয়।

শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন চিত্রনায়ক ওমর সানী।

এছাড়া টেলিভিশন অভিনেতা ও ইউটিউবের জনপ্রিয় মুখ সালমান মুক্তাদিরও শিক্ষার্থীদের পক্ষ নিয়ে রাস্তায় নামে। পরে তাকে আটকও করে পুলিশ।

বুধবারের আন্দোলনের সময় বিভিন্ন বাস আটকে চালকদের লাইসেন্স দেখছিল শিক্ষার্থীরা। যেসব চালকের লাইসেন্স নেই তাদের গাড়ি সাইড করে রাখতে বলছিল।

এসময় রাস্তা ফাঁকা পেয়ে উল্টোপথ দিয়ে একটি পিকআপ দ্রুত গতিতে চলে আসে। শিক্ষার্থীরা সেটিকে আটকানোর চেষ্টা করে। পিকআপ চালক গাড়ি না থামিয়ে গতি আরও দেয় এবং এক শিক্ষার্থীকে চাপা দিয়ে চলে যায়।

আর এরপর মুখ খুলেন, নতুন প্রজন্মের অভিনয়শিল্পী তৌসিফ মাহবুব, তিনি বলেন, ‘আর চুপ থাকতে পারছি না। শুটিং থেকে অনুমতি নিলাম, দুপুরে নামছি তোমাদের সঙ্গে উত্তরায়। আমার কোনো সহকর্মী ভাইবোনেরা নামতে চাইলে খুশি হব।’

আন্দোলনে নামা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এভাবেই নিজের একাত্মতার কথা বললেন তিনি। আজ বুধবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ নিয়ে পোস্ট দিয়েছেন।