ভাষা শহীদের ন্যায় আরিফ মানুষের হৃদয়ে থাকবে: আমির খসরু

 কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী আরিফ ভাষা শহীদের ন্যায় মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি  বলেন,  বাংলাদেশের যুব সমাজ একটি মেধাবী বংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আন্দোলন করেছে। অথচ এই আন্দোলনের জড়িত থাকার অপরাধে কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক আরিফকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, পরবর্তিতে তার লাশ নদীতে পাওয়া গেছে। আরিফ জীবন দিয়ে আগামীর মেধাবী বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন আরো বেগবান করেছে। সকল মানুষের কাছে আমাদের কাছে রফিক, শফিক, জব্বার এর মতো  জায়গা করে নিয়েছে।
বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ঢাকাস্থ ফেনী জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্র-যুব ফোরাম আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আমির খসরু বলেন, একটা পর্যায়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ছিল, এখন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হচ্ছে নির্বাচন কমিশন, পুলিশ ও আমাদের প্রশাসন। আজকে দেশ এমন জায়গায় চলে আসছে, যেখানে গুম, খুন, হত্যা, মিথ্যা মামলা, নিপীড়ন, নির্যাতন থেকে কেউ রেহাই পাচ্ছে না।
তিনি বলেন,  দিনের শেষে এই দানবের কাছ থেকে কেউ রেহাই পাবে না। যারা দলের মধ্যে গণতন্ত্রকামী চিন্তা করেন তারাও রেহাই পাবেন না। যার চিত্র ইতিমধ্যে আমরা দেখছি।
আমির খসরু বলেন, এক দলীয় নির্বাচনের অন্তরায় হচ্ছেন খালেদা জিয়া, আজকে তাকে গণতন্ত্রের স্বার্থে  নাজিম উদ্দিন রোডের কারাগারে। আজকে তাকে জেলে নিয়েছেন, একদলীয় শাসন, একদলীয় নির্বাচন করতে এবং একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে।  তিনি কোন বিচাররের রায়ে জেলে যায়নি,  আমারা যারা ভাবছি বিচারিক সিদ্ধান্তে তিনি মুক্তি পাবেন, সেটা সম্পূর্ণভাবে একটা ভুল চিন্তা হবে। আমাদেরকে একতাভাবে ঐক্যবদ্ধভাবে জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে।
তিনি বলেন,  খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে নির্বাচনে যাওয়ার বিষয় নিয়ে অনেকের মাঝে দিদ্ধাদন্দ থাকলেও বিএনপির নীতিনির্ধারকদের মাঝে তা নেই।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা মূল্যায়নের কথা ভুলে যান, বর্তমান সংকটে খালেদা জিয়া, নিজেকে এবং দেশের মানুষকে মুক্ত করেন, দেশ বাচলে আপনি বাঁচলেন।
বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও তারেক রহমানের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এই প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবাদ সভার সভাপতিত্ব করেন, ঢাকাস্থ ফেনী জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্র-যুব ফোরামের সমন্বয়ক ওমর ফারুক ডালিম,
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু। সাবেক এমপি আবুল খায়ের ভূঁইয়া, রেহেনা আক্তার রানু বিএফইউজ’র সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ প্রমুখ।