খালেদার আপিল নিষ্পত্তির জন্য আরো ৩ মাস দিয়েছে আপিল বিভাগ

বহুল আলোচিত জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজার রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আপিল নিষ্পত্তির জন্য আো তিন মাস সময় দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ মঙ্গলবার এই আদেশ দেন। আদেশে বলা হয়েছে, আগামী ৩১ আক্টোবরের মধ্যে হাই কোর্টে এ মামলার আপিল নিষ্পত্তি করতে হবে।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও জয়নুল আবেদীন। দুদকের পক্ষে খুরশিদ আলম খান এবং রাষ্ট্রপক্ষের অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ছিলেন।

জিয়া এতিমখানা দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখে আপিল বিভাগ গত ১৬ মে তার আপিল ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে হাইকোর্টে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছিল।

আপিল বিভাগের ওই আদেশের পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত ২৭ জুন আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

তাদের বক্তব্য শুনে গত ৯ জুলাই আদেশ দেয় আপিল বিভাগ। সেখানে বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি না হলে তখন সময় বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

এর প্রেক্ষিতেই ২৬ জুলাই চেম্বার আদালতে সময় বৃদ্ধির আবেদন করেন খালেদার আইনজীবীরা। পরে চেম্বার আদালত ২৯ জুলাই আবেদনটি শুনানির জন্য আপিলের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠায়।

বিদেশ থেকে জিয়া এতিমখানা ট্রাস্টের নামে আসা দুই কোটি ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা এ মামলার রায়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আখতারুজ্জামান।

সেই সঙ্গে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানসহ অপর পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছরের জেল ও জরিমানা করা হয় রায়ে।

ছয় আসামির মধ্যে খালেদা জিয়াসহ তিনজন কারাবন্দি। খালেদা জিয়া ছাড়া বাকি দুজন হলেন- মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ।

তারেক রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী আর জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান পলাতক।