বড়পুকুরিয়ার কয়লা চুরি বিএনপির আমল থেকেই শুরু: হাছান

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা চুরি ২০০৫ সালে বিএনপি’র আমল থেকেই শুরু হয়েছে মন্তব্য ক‌রে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ ব‌লে‌ছেন, ‘সেই চোরের হোতাদের আজ শেখ হাসিনা সরকার চিহ্নিত করেছে।’

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের উ‌দ্যে‌গে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের রাজনীতি শীর্ষক’ আলোচনা সভায় তি‌নি একথা ব‌লেন। বিএনপির ক্ষমতা থাকা অবস্থায় বাংলাদেশে ৫ বার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে উ‌ল্লেখ ক‌রে তিনি আরও বলেন, ‘কয়লা চুরির পিছনে কারা আছে এবং কোথা থেকে শুরু হয়েছিল তার সবকিছুই বেরিয়ে আসবে। আমরা ইতিমধ্যেই তদন্ত কাজ শুরু করেছি।’

বিএনপিকে নিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপির রাজপথে নামার সাহস হবে না তারা তাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, প্রেসক্লাব আর মাঝে মাঝে তাদের ঝটিকা মিছিলে দেখা যায়। তারা এখন হাওয়ার সাথে মিশে থাকেন।’

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি আজ তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে কয়েকদিন পর পর বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা চুরি, কোটা আন্দোলন, স্বর্ণ চুরি, এখন আবার কয়লা চুরি মতো খড়কুটোর বিষয় নিয়ে টিকে থাকতে চেষ্টা করছে। কিন্তু দেশের জনগণ তাদের কখনই ক্ষমতায় দেখতে চায় না। ইতিমধ্যে কয়েকটি সিটি নির্বাচনে তা প্রমাণিত হয়েছে।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘যে নেতারা তাদের কর্মীদের রেখে দেশের বাইরে পালিয়ে থাকে তাদের ওপর তৃণমূল নেতাকর্মীদের আর কোনো বিশ্বাস নেই। আর সেজন্যই আজকে দেশের কোথাও বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঠে ময়দা‌নে দেখা যায় না। কারণ মাঠে নামলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তৃণমূল নেতাকর্মীরাই।’

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লী‌গের সাধারণ সম্পাদক শা‌হে আলম মুরাদ, বাংলাদেশে স্বাধীনতা পরিষদের সভাপতি জিন্নাত আলী জিন্নাহ, আরব আমিরাত আ.লীগ সভাপতি আলহাজ্ব আল মামুন, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতি জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা, দক্ষিণের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আক্তার হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা শাহাদাত হোসেন পায়েল, বাংলাদেশ জাতীয় পরিষদে নেত্রী ফাতেমা তুজ জোহরা, হেদায়েতুল ইসলাম স্বপন, আনিসুজ্জামান, পাঠান, শেখ জারিফসহ প্রমুখ।