সাভারে শিশু ধর্ষণকে কেন্দ্র করে জামাই-শ্বশুরের সংঘর্ষে জামাই নিহত, আহত ২

স্টাফ রিপোর্টার : সাভার পৌর এলাকার জামশিংয়ে সোলেমান মার্কেট মহল্লায় ফুফার বিরুদ্ধে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে জামাই-শ্বশুর দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সংঘর্ষে জামাই সেলিম মিয়া নিহত ও দু’জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গতকাল বুধবার রাত ৮টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। নিহত সেলিম মিয়া (৪৫) সাভার পৌর সভার জামশিং এলাকার বাসিন্দা। সে মাছের ব্যবসা করতো বলে জানা গেছে। ধর্ষণের অভিযোগে কবির হোসেনকে পুলিশ আটক করেছে।


জানা গেছে, পৌর এলাকার জামশিং মহল্লায় বুধবার সকালে স্ত্রী’র ভাই রিপনের স্কুল পড়ুয়া ১১ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠে ফুফা কবির হোসেনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনা কেন্দ্র করে উভয়ের আত্মীয় জামাই সেলিম মিয়া ও চাচা শ্বশুর সাইজুদ্দিন বিভক্ত হয়ে দু’পক্ষের নেতৃত্ব দেয়। এ অবস্থায় সেলিম মিয়া ও সাইজুদ্দিনের মধ্যে বুধবার বেলা ১ টার দিকে কথা কাটাকাটিসহ তর্ক-বিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে এলাকাবাসী উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

এঘটনার জের হিসেবে বুধবার রাত ৮ টারদিকে জামাই সেলিম গ্রুপ ও চাচা শ্বশুর সাইজুদ্দিন গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের বাধে। এক পর্যায়ে দেশি অস্ত্রের আঘাতে সেলিম গ্রুপের সেলিমসহ ২ জন গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে সেলিম মিয়া মারা যায়। আহত অপর দুই ব্যক্তিকে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ভুট্টু নামে একজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানার ওসি (তদন্ত) সাজ্জাদ হোসেন দৈনিক ফুলকিকে জানান, জমি নিয়ে চাচা শ্বশুরের সঙ্গে ভাতিজী জামাইয়ের দ্বন্দ্ব চলছিলো। এক পর্যায়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামলার পক্ষে ছিলো জামাই সেলিম মিয়া। আর মামলা না করার পক্ষে ছিলো চাচা শ্বশুর সাইজুদ্দিন। এ নিয়ে দ্বন্দ্বের এক পর্যায়ে বুধবার রাতে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সংঘর্ষে সেলিম মিয়া খুন হয়েছে। এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।