দলিল লেখা যাবে যে কোনও বয়সে

স্টাফ রিপোর্টার : উঠে গেল দলিল লেখকদের বয়সসীমা। ফলে সনদধারী দলিল লেখকরা এখন থেকে ৬৫ বছর বয়সের পরেও দলিল লিখতে পারবেন। সর্বোচ্চ বয়সসীমার বিধান বাতিল করে নিবন্ধন অধিদফতর সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। নিবন্ধন অধিদফতরের গত ২২ জুলাইয়ের এক প্রজ্ঞাপনে দলিল লেখক বিধিমালা ২০১৪ এর বিধি ৪ এর উপবিধি ১ এ দলিল লেখকদের যোগ্যতায় বিদ্যমান ‘সন্তোষজনক কাজ, শারীরিক যোগ্যতা এবং ৬৫ বৎসর বয়স অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত‘’ এর স্থলে ‘সন্তোষজনক কাজ, শারীরিক যোগ্যতা’ প্রতিস্থাপন করার কথা বলা হয়েছে। এর আগে গত জানুয়ারি মাসে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক দলিল লেখকদের ৬৫ বছরের সর্বোচ্চ বয়সসীমা বাতিল সংক্রান্ত নথিতে অনুমোদন দেন। ওই সময় আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিবন্ধন অধিদফতরের এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে বিষয়টি কার্যকর হবে।

২০১৭ সালের ৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির কাউন্সিল অধিবেশনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এ বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। নিবন্ধন সনদ পাওয়ার জন্য ২০০৩ সালের আগে দলিল লেখকদের বয়সসীমা এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত ছিল না। ২০০৩ সালে এক পরিপত্রের মাধ্যমে তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং সর্বোচ্চ বয়স ৬৫ বছর করা হয়। কিন্তু দলিল লেখকরা বয়সসীমা তুলে দেওয়ার দাবি করে বেশ কয়েক বছর ধরে আন্দোলন করে আসছে। তারা নিজেদের পেশাজীবী উল্লেখ করে বলেন, পেশাজীবীদের বয়স সরকার নির্ধারণ করে দিতে পারে না।