চতুর্থ ধাপেও কলেজ পায়নি ৪ সহস্রাধিক শিক্ষার্থী

স্টাফ রিপোর্টার : একাদশে ভর্তির চতুর্থ ধাপেও কোনো কলেজের জন্য মনোনীত হয়নি ৪ হাজার ৬৬৬ শিক্ষার্থী। তাদের ভর্তির বিষয়ে এখনও শিক্ষা বোর্ড থেকে কিছু জানানো হয়নি। চলতি (চতুর্থ) ধাপে ২৫ জুলাই পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম শেষে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড থেকে জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, তৃতীয় ধাপেও যারা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ পায়নি তাদেরকে গত ১০ জুলাই চতুর্থ ধাপে আবেদন করার সুযোগ দেয়া হয়। ১৫ জুলাই পর্যন্ত এ আবেদন কার্যক্রম চলে। ১৬ জুলাই যাচাই-বাছাই ও নিষ্পত্তি শেষে ১৭ জুলাই ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

ফলাফলে দেখা গেছে, এ ধাপে মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ২২১ জন শিক্ষার্থী নতুন করে আবেদন করে। এরমধ্যে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৫৫ জন দেশের বিভিন্ন কলেজে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছেন। এ ধাপেও আবেদন করে ভর্তির সুযোগ পায়নি ৪ হাজার ৬৬৬ জন। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ প্রাপ্তরাও রয়েছে। চতুর্থ ধাপে যারা মনোনীত হয়েছে তারা ১৮ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চয়ন করতে পারবে। এরপর ২১ থেকে ২৩ জুলাই ভর্তি হবে। ২৪ থেকে ২৫ জুলাই কলেজ পর্যায়ে যাচাই-বাছাই ও নিষ্পত্তি করে স্ব-স্ব শিক্ষা বোর্ডে শিক্ষার্থীদের তথ্য পাঠাতে হবে।

এখনও কলেজে ভর্তির জন্য মনোনীত না হওয়ার বিষয়টি দুঃজনক উল্লেখ করে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক হারুন অর রশীদ বলেন, আসন স্বল্প থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখনও অধিকাংশ শিক্ষার্থী বারবার আবেদন করায় তারা ভর্তির সুযোগ পাচ্ছে না। এ কারণে আবেদন করেও চতুর্থ ধাপে সাড়ে চার হাজারের বেশি শিক্ষার্থী মনোনীত হয়নি। তবে সারাদেশে পর্যাপ্ত আসন রয়েছে, সবাই ভর্তির সুযাগ পাবে।

তিনি বলেন, যারা মনোনীত হয়েছে তাদের মধ্যেও অনেকের কলেজ পচ্ছন্দ না হওয়ায় সেখানে নিশ্চয়ন করবে না, সে কারণে ভর্তি না হওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা আরও বাড়বে। তাদেরকে ভর্তির জন্য নতুন করে সুযোগ দেয়া হবে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে অনলাইন পদ্ধতিতে আবারও আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।  ঢাকা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন এবার এসএসসি উত্তীর্ণ অন্তত সাড়ে তিন লাখ শিক্ষার্থী ভর্তির আওতায় আসেনি। এবার শুধু এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় পাস করেছে ১৪ লাখ ৯৩ হাজার ১৮৭ জন। তাদের মধ্যে ১১ লাখ ৩২ হাজার ৫২৫ জন ভর্তি নিশ্চায়ন করেছে।

বাকিরা ভর্তির আওতায় না আসা শিক্ষার্থী। এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া প্রায় ১ হাজার জন রয়েছে। তিন দফায় আবেদন করে কলেজ না পাওয়া শিক্ষার্থী আছে ২৮ হাজারের বেশি।