শ্যালিকাকে নিয়ে হোটেলে দুলাভাই! অতঃপর শ্যালিকার আত্ম্হত্যার চেষ্টা

স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে হোটেল ভাড়া নেয় রিয়াজ ও প্রিয়া। এরপর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান স্বামী পরিচয় দানকারী কথিত রিয়াজ। উদ্ধার করা হয় বৃষ্টি আক্তার (১৬) নামের এক কিশোরীর লাশ।

সোমবার (১৬ জুলাই) বৈকালী হোটেলের ৪০৭ নম্বর কক্ষ থেকে বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে ওই কিশোরির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

জানা যায়, বৃষ্টি আক্তার তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার একটি কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর থানার আনোয়ার হোসেনের মেয়ে। পরিবারের সঙ্গে রাজধানীর মহাখালী সাততলা বস্তিতে বসবাস করতেন তিনি। তিন বোন এক ভাইয়ের মধ্যে বৃষ্টি ছিলেন তৃতীয়।

আরো পড়ুন: ফুটবল বিশ্বকাপ-২০১৮ এর সেরা একাদশ

এ বিষয়ে, বৃষ্টির খালাতো দুলাভাই বলেন, বৃষ্টির দুলাভাই প্রায় আট বছর আগে বৃষ্টির বড় বোন হাসনা বেগমকে বিয়ে করেন। সে বেসরকারি ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনেন গাড়ি চালক হিসেবে কাজ করেতেন।

বৈকালী হোটেলের ম্যানেজার নোমান সিদ্দিকীর দেয়া তথ্য মতে, সোমবার সকাল সাড়ে আটটার সময়ে রিয়াজ ও প্রিয়া নামের দুইজন স্বামী-স্ত্রীর পরিচয় দিয়ে ৪০৭ নম্বর রুমে ওঠেন। পরে রিয়াজ ঘণ্টাখানেক পর নাস্তা কিনতে নিচে নামেন। পরে রুমে গিয়ে দেখতে পাই তার স্ত্রী প্রিয়া রুমের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে রয়েছেন। এরপর রিয়াজ নিজেই তাকে নামিয়ে মাথায় পানি দিতে থাকেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান স্বামী পরিচয় দানকারী কথিত রিয়াজ।

রমনা মডেল থানার উপপরিদর্শক দীপঙ্কর কুমার দাস জানান, এ ঘটনায় মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরো পড়ুন: নায়িকাদের ফিটনেস রহস্য