মোজার দুর্গন্ধ দূর করুন খুব সহজেই

ফুলকি.কম: বর্ষায় নানা সমস্যার মধ্যে জুতো-মোজা কম ঝামেলায় ফেলে না। ঝড়-বৃষ্টি হলেও অফিস যাওয়ার ফর্মালের সঙ্গে বুট মোটেও খালি পায়ে পরা যায় না, লাগে মোজা। এ দিকে বর্ষায় দরদর করে ঘামছে পা, জট আরও বাড়ে বই কমে না। সারা দিন ঘেমো চটচটে মোজা, খুললেই দুর্গন্ধ। মোজায় সুগন্ধী লাগিয়েও পার পাওয়া যাচ্ছে না।

কোথাও গিয়ে জুতে খুলতে লজ্জা করছে, আবার পা ঘামার জেরে সারা ক্ষণ জুতো পরে থাকাও সম্ভব হচ্ছে না। এমন সমস্যায় কি জেরবার আপনিও? তা হলে আপনার জন্য রইল সমাধান।

আরো পড়ুন: জানুন নায়িকাদের ফিটনেস রহস্য

কেন হয় দুর্গন্ধ

চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ কৌশিক লাহিড়ীর মতে, হাত-পায়ের তালুতে প্রচুর স্নায়ু থাকে। তাই গরমে বা খানিক ক্ষণ ঢাকা থাকলে এই সব স্থান ঘামে বেশি। তবে ঘাম হলে তা অকারণে রোধ করার চেষ্টা না করাই ভাল। জোর করে ঘাম আটকালে শরীরের অভ্যন্তরে নানা সমস্যা তৈরি হয়।

তা হলে উপায়?

চিকিৎসকের মতে

১. ঘাম কম হোক বা বেশি, চামড়ার যত্ন ও ঘামের গন্ধ থেকে বাঁচতে সুতির মোজা ব্যবহার করুন।

২. খাদ্যতালিকাতেও পরিবর্তন আনুন, খুব মশলাদার খাবার বিপাক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। বদহজম বা অম্লতা ঘন ঘন হলে তা ঘামের গন্ধ আরও বিশ্রি হয়।

৩. চা-কফির নেশা থাকলে এড়িয়ে চলুন। যে কোনও উত্তেজক পানীয় শরীরে হরমোন নির্গমনে সাহায্য করে। তাতে স্নায়ু উত্তেজিত হয় পরোক্ষে। ফলে সহজেই ঘাম হয়।

৪. জুতোকে মাঝে মাঝেই রোদে দিন। জুতোর ভিতরে আলো-হাওয়া পৌঁছলে ছত্রাক, ক্ষতিকারক ব্যাকটিরিয়া এ সবের প্রকোপ কমে।

৫. একই মোজা পর পর দু’দিন ব্যবহার করার অভ্যাস ত্যাগ করুন। অনেকেরই এই প্রবণতা থাকে। তা অত্যন্ত বদভ্যাস।

৬. মোজা পরার আগে সাবান দিয়ে ভাল করে পা ধুয়ে ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নিতে পারেন। গরম জলে নুন পেলেও পা ধুয়ে নিতে পারেন। তাতে ঘামের প্রকোপ থেকে বাঁচা যায়। তবে ভুলেও পায়ে পাউডার লাগাবেন না। ওতে পায়ের রোমকূপের মুখে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়, ঘাম বেরতে না পেরে শরীরের অন্যান্য সমস্যা বাড়ায়।

৭. ছুটির দিনে জুতোয় পাউডার লাগিয়ে শুকনো কাপড়ে মুছে নিন। তাতে চামড়ার নিজস্ব গন্ধ দূরে থাকবে।

সুতরাং, এ সব নিয়ম মেনে চলুন, আর মোজার গন্ধ থেকে বাঁচুন সহজেই।

আরো পড়ুন:  ফুটবল বিশ্বকাপ-২০১৮ এর সেরা একাদশ