রাজনৈতিক ‘ম্যাচ ফিক্সিং’ এর শিকার হচ্ছে পাকিস্তান!

ফুলকি অনলাইন: তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) নেতা ইমরান খান ক্রিকেট ছেড়ে রাজনীতি শুরু করেছেন সেই ১৯৯৭ সালে। কিন্তু ২২ বছরেও ভাগ্যের শিকে ছিঁড়েনি। প্রধানমন্ত্রী হতে পারেননি তিনি। এবার সেই সাধ পূরণ হতে চলেছে।দেশের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক পদ প্রধানমন্ত্রিত্ব।

স্বর্ণের সেই ভাণ্ডার এবার তার হাতের নাগালে।সবকিছুই পরিকল্পনামাফিক এগোচ্ছে। নির্বাচন কমিশন ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে দেনদরবার শেষ। বড় প্রতিপক্ষ নওয়াজ শরিফ চৌদ্দ শিকে ঢুকে গেছেন। নির্বাচনের মাঠ প্রস্তুত।

গুঞ্জন রয়েছে, এবার শক্তিশালী সেনাবাহিনীর আশীর্বাদ রয়েছে তার ওপর। নির্বাচনের মাঠে তার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ হলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। এখন জেলের ঘানি টানছেন তিনি। এবার জারদারির পালা। তাকে ঢুকাতে পারলেই কেল্লাফতে।

২০১৭ সালের জুলাইয়ের পর থেকে ইমরানের ভাগ্য প্রসন্ন হতে শুরু করে। দুর্নীতির অভিযোগে গত বছরের জুলাইয়ে প্রধানমন্ত্রী পদে নওয়াজকে অযোগ্য ঘোষণা করেন দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ন্যাশনাল অ্যাকান্টিবিলিটি কোর্ট।

এরপরই স্বজনপ্রীতি ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দলের সভাপতি পদে অযোগ্য, তারপর রাজনীতিতে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয় তাকে। অবশেষে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত সপ্তাহে ঘোষণা করা হয় ১০ বছরের কারাদণ্ড।

লন্ডন থেকে ফেরার পরই সরাসরি জেলে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ভোটের ব্যাপারে যারা সিদ্ধান্তহীনতায় ছিলেন, নওয়াজের গ্রেফতারের পর এখন তারা ইমরানের পিটিআই’র দিকে ঝুঁকবেন। এছাড়া নির্বাচনে জেতার যোগ্য এমন অনেকেই পিটিআই’র সঙ্গেই গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছে।

শুক্রবার নওয়াজ ও তার মেয়ে মরিয়ম নওয়াজকে গ্রেফতার করা হয়। এরপরই ইমরান বলেন, এবার জারদারির পালা। বেনজির ভুট্টোর পাকিস্তান পিপল’স পার্টির প্রধান ও সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি। তার বিরুদ্ধে কয়েক হাজার কোটি রুপির দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।