ফাঁকা মাঠে গোল দেব না, খেলেই গোল দেব: হাছান মাহমুদ

 আর ফাকা মাঠে গোল দিতে দেয়া হবে না বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের এই বক্তব্যর সমালোচনা করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আমরা ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চাই না খেলেই গোল দেব।

রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত জননেত্রী শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের মত অবস্থা আর হবে না আমরা মাঠে খেলেই গোল করব। খেলতে এসে দ্যাখেন কয়খান গোল খান।

বিএনপি নেতার সমলোচনা করে হাছান মাহমুূদ বলেন, কর্মীদের শারিক, মানষিক প্রস্তুতি নিতে বলেছে তাহলে আবার তারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়। সে চেস্টা করে লাব হবে না দেশের জনগন আপনাদেরকে প্রতিহত করবে। নির্বাচন নিকটে তাই তারা এখন তালগোল পাকানোর চেস্টা করছে।

‘কিছু দিন আগে দেখেছি উদ্বিগ্ন অভিভাবকদের ব্যানারে মানববন্ধন এরা কারা এরা সেই ১/১১ কুশিলবরা । তারা তাদের পরিচয় গোপন করে পানি ঘোলা করার চেস্টা করছে। বিএনপি জামাত জোট যখন এ দেশে পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ হত্যা করেছে তখন উদ্ধিগ্ন অভিভাককরা কোথায় ছিলেন।’

তিনি বলেন, ২০০৭ সালে ১৫ জুলাই জননেত্রী শেখ হাসিনাকে বিনা গ্রফতারি পরোয়ানার আটক করা হয়। সেদিন তার স্বামী ওয়াজেদ মিয়ার সাথে খারাপ ব্যবহার করা হয় এবং জেলখানায় নেত্রীর শরীরে স্লো পয়জনিং করা হয়েছিল। আমরা নেতাকর্মীরা তার সাথে দেখা করতে পারিনি। তাকে নির্জন কারাগারে রাখা হয়েছিল। চুরির মামলায় খালেদা জিয়া জেলে আছে তার পছন্দের গৃহপরিচারিকা ও সাথে রয়েছে। গত দেড় মাস ধরে শুনছি তিনি অসুস্থ্য তাহলে হাসপাতালে যাচ্ছেন না কেন। বিএনপি নেতারা মিথ্যাচার করে দেশের জনগনের সহানুভূতি আদায় করার চেষ্টা করছে। ৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষকরা পালিয়েছিল আর পাকিস্তানপন্থি কিছু শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয় চালু রাখার চেষ্টায় ছিল তারাই এখন খোলস পরির্বতন করে উদ্বিগ্ন অভিভাবক সেজেছে। বিএনপিকে দিয়ে তারা অনেক চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে এখন কোটা আন্দোনকারীদের ওপর ভর করেছ। এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা মোবারক আলী সিকদারের সভাপতিত্ব আরো বক্তব্য রাখেন, শামসুল হক টুকু, শারাহ বেগম কবরী, অরুন সরকার রানা প্রমুখ।