শিক্ষার্থী নির্যাতনের শাস্তি পেলেন ১১ প্রাথমিক শিক্ষক

ফুলকি ডেস্ক: শিক্ষার্থী নির্যাতনের দায়ে সাময়িক বরখাস্ত ও বিভাগীয় মামলাসহ বিভিন্ন ধরণের শাস্তি পেয়েছেন ১১ জন শিক্ষক।

২০১৮ খ্রিস্টাব্দের এপ্রিল থেকে জুন মাসের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি প্রদান সংক্রান্ত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

অভিযুক্ত শিক্ষকদের শাস্তিস্বরূপ বিভাগীয় মামলা, সাময়িক বরখাস্ত দূরবর্তী বিদ্যালয়ে বদলি এবং বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট স্থগিত করা হয়েছে।

কাকে কি শাস্তি দেয়া হয়েছে?

১. নাটোরের সদর উপজেলার জয়নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক মাবুত ফারহানা মুন্নিকে সাময়িক বরখাস্ত এবং তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে।

২. নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার গয়েশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাদিয়া আখতারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে।

৩. রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার মোল্লাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নুরজাহান খাতুনকে প্রথম বারের মত সতর্ক করা হয়েছে।

৪. পাবনার চাটমোহর উপজেলার রামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো: শাহিনুর রহমানকে শাস্তিমূলক  দূরবর্তী বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছে।

৫. জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার গোপীনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক সালমা বানুকে বিভাগীয় মামলা করা হলেও পরবর্তীতে তিরস্কার দণ্ড দেয়া হয়েছে।

৬. জয়পুরহাট সদরে জয়পুরহাট নার্সারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক সানজিদা বেগমের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছিল। পরে সাময়িকভাবে বরখাস্ত প্রত্যাহারসহ তিরস্কার করা হয়েছে এবং বরখাস্তকালীন সময়ে বিনা বেতনে ছুটি মঞ্জর করা হয়েছে।

৭. বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় দাউদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তপন কুমার সরকারকে প্রশাসনিক কারণে দূরবর্তী বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছে।

৮. রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দী উপজেলায় গণপত্যা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক প্রলয় চ্যাটার্জীর বিরুদ্ধে করা বিভাগীয় মামলা চলমান আছে।

৯. শরীয়তপুরের জাজিয়া উপজেলার নওয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো: ইউসুফ আলীকে  সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং বিভাগীয় মামলা চলমান আছে।

১০. নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার উওর চাঁদখানা বেগম নুরুন্নেছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সামছি সাদিয়া সিদ্দিকার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করে দুইটি বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট স্থগিত করা হয়েছে।

১১. কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার মহিদেব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক মো: জাহাঙ্গীর আলমকে সাময়িক বরখাস্তসহ বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়েছে মামলা চলমান আছে।