ধামরাইয়ে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে ছাড়ার হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবি

ধামরাই প্রতিনিধি : ধামরাইয়ে এবার কলেজ ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে চাঁদাও দাবি করছে একটি চক্র। এ ঘটনায় আজ শুক্রবার অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ছাত্রীর মা।

অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একটি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী কলেজ থেকে বাড়ী ফেরার পথে হত্যার হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে সূয়াপুর গ্রামের সাগর আলীর ছেলে লিটন (সূয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান সোহরাবের আপন ভাতিজা), জালাল উদ্দিনের ছেলে আক্তার হোসেনসহ কয়েকজন মিলে সূয়াপুর বাজারের পশ্চিমপাশে আবুল কালামের বাড়ীতে নিয়ে যায়।

পরে ঘরের ভিতরে তাকে জোর করে ধর্ষণ করে লিটন। এসময় ধর্ষণের ভিডিও চিত্র ধারণ করে আবুল কালাম ও আক্তার হোসেন। এরপর ভিডিও চিত্র ইন্টারনেট, ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছাড়ার হুমকি দিয়ে ধর্ষিতার মায়ের কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। তারা এক পর্যায়ে মানসম্মানের ভয়ে ১০ হাজার টাকাও দেয়। এ অবস্থার মধ্যেই গত কয়েকদিন ধরে মোবাইল থেকে মোবাইলে ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে দেয় একটি চক্র।

পরে মেয়ের মা বাদি হয়ে মূল অভিযুক্তসহ ধর্ষকের সঙ্গীদের আসামী করে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। মামলা রুজু করার আগেই বুধবার রাতে অভিযুক্তদের আটক করতে এলাকায় অভিযান চালায় এস আই ভজন রায়। তবে কাউকে আটক করতে পারেনি।

ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ রিজাউল হক বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত দোষীদের আটক করা হবে।

অতি সম্প্রতি ধামরাইয়ে এক শিশুকে গণধর্ষণের পর হত্যা এবং অপর শিশুকে ইয়াবা ট্যাবলেট খাইয়ে ধর্ষণের ঘটনাও ঘটেছে।