২০১৯ সালের মধ্যেই ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ

ফুলকি ডেস্ক: দেশের সব মানুষ আগামী বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আসবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী।

আজ বুধবার সামিট করপোরেশনের নতুন একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা এ কথা জানান। রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সামিট করপোরেশন ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটের চারটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে যৌথ বিনিয়োগের জন্য জাপানের মিতসুবিশি করপোরেশন ও যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল ইলেকট্রিকের (জিই) সঙ্গে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের সমঝোতা চুক্তি করে।

সামিটের পক্ষ থেকে বলা হয়, এটি এখন পর্যন্ত দেশের বেসরকারি খাতের সবচেয়ে বড় প্রকল্প। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মিত হবে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়িতে। সেখানে একই প্রকল্পের অধীনে একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ও একটি জ্বালানি তেলের টার্মিনাল নির্মিত হবে। পাশাপাশি আরেকটি ৩০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কথা রয়েছে। এটি অবশ্য মহেশখালীর বাইরে অন্য কোথাও নির্মাণের চিন্তা করছে সামিট।

সমঝোতা চুক্তিতে সামিটের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান, মিতসুবিশির পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামো ব্যবসা বিভাগের জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট তেতসুজি নাকাগাওয়া সান এবং জিই পাওয়ারের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল স্টোকস সই করেন।

অনুষ্ঠানে তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী মানুষকে সাশ্রয়ী মূল্য বিদ্যুৎ দেওয়ার জন্য বেসরকারি খাতকে কম খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদনের তাগিদ দেন। এ জন্য নতুন প্রযুক্তি নিয়ে আসা ও উদ্ভাবনের পরামর্শ দেন তিনি।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, সরকার শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়, সঞ্চালনেও বেসরকারি খাতকে বিনিয়োগের সুযোগ দেবে। ভবিষ্যতে বিতরণের বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ উন্মুক্ত করা হবে। ফলে বিদ্যুৎ খাতে ভবিষ্যতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।

অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব আহমদ কায়কাউস, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।