পরোক্ষ ধূমপান থেকে শিশুর ক্ষতি

লাইফস্টাইল ডেস্ক : গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব বাবা-মা ঘরে ধূপমান করেন এবং সন্তান এই ধূমপানের সংস্পর্শে আসে, তাদের নাক ডাকার অভ্যাস তৈরি হতে পারে।

 

যুক্তরাষ্ট্রের ‘জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি’র করা এই গবেষণার ফলাফল বলে, ঘরে সন্তানের সামনে খাওয়া প্রতিটি সিগারেটের কারণে শিশু নাক ডাকার অভ্যাস হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে দুই শতাংশ।

 

ধূমপায়ী বাবার সন্তানদের নাক ডাকার সম্ভাবনা অধূমপায়ী বাবার সন্তানদের তুলনায় ৪৫ শতাংশ বেশি। আর মা ধুমপায়ী হলে এই আশঙ্কা ৯০ শতাংশ। আবার গর্ভে থাকা অবস্থায় ধূমপানের সংম্পর্শে আসলে আশঙ্কাগুলো বাড়াবে দ্বিগুন।

 

জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি’র গবেষক লুসি পাপোভা বলেন, “বাবা-মা হয়ত মনে করতে পারেন শিশুর নাক ডাকা চিন্তার কিছু নয়, হয়ত কিছুটা আদুরে ব্যাপার।

 

তবে নাক ডাকা হলো ‘স্লিপ অ্যাপিয়া’ বা ঘুমের মধ্যে শ্বাসপ্রস্বাসের সমস্যার প্রথম ধাপ। আর এরসঙ্গে জড়িয়ে আছে উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক এবং হৃদরোগের ঝুঁকি।”

 

‘স্লিপ অ্যাপিয়া’ একটি মারাত্বক শারীরিক জটিলতা যেখানে ঘুমের মধ্যে শ্বাস-প্রশ্বাস সাময়িক সময়ে জন্য থেমে যায়।

 

‘জার্নাল অফ এপিডেমিওলজি অ্যান্ড কমিউনিটি হেলথ’ নামক জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় ৮৮ হাজার শিশুকে নিয়ে করা ২৪ গবেষণার তথ্য নিয়ে কাজ করেন গবেষকরা।

 

গবেষক দলটি জানায়, শিশুর বয়স যত কম, পার্শ্বীয় ধূমপানের কারণে তার নাক ডাকার অভ্যাস গড়ে ওঠার সম্ভাবনা ততই বেশি।

 

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে অবস্থিত ‘চিলড্রেন’স হসপিটাল অ্যাট মন্টেফিয়োরি’র সোফি বাল্ক বলেন, “আপনার নিজের এবং আপনার সন্তানের সুস্বাস্থ্যের জন্য ধূমপান বর্জন করাই উৎকৃষ্ট উপায়।”

 

 

পার্শ্বীয় ধূমপানের সঙ্গে নাক ডাকার অভ্যাস গড়ে ওঠা কীভাবে সম্পর্কযুক্ত তা বের করতে পারেনি গবেষণাটি।