নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে মন্ত্রিসভায় আ.লীগের চমকের ইঙ্গিত

আওয়ামী লীগ নেতারা খোলাসা করে কিছু না বললেও নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে মন্ত্রিসভায় চমকের ইঙ্গিত দিচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতারা। ছোট পরিসরের সরকারে বিভিন্ন দলের অংশগ্রহণ ছাড়াও থাকবে নতুনত্ব। তবে যাই হোক, সংবিধানের আলোকেই হবে এবং তাদের দায়িত্ব হবে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা- বলছেন নেতারা।

সরকারের ৪ বছর পূর্তিতে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলতি বছরের ডিসেম্বরে নির্বাচনের ঘোষণা দেন। সে অনুযায়ী সেপ্টেম্বরের পরই নির্বাচনকালীন সরকারের মন্ত্রিসভা গঠন করতে হবে।

বিএনপির নির্দলীয় নির্বাচনকালীন সরকারের দাবি নাকচ করে আসছে সরকার। এরই মধ্যে আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটের নেতারা সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, যার প্রধান থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে নির্বাচনকালীন সরকার নিয়েও বাড়ছে আলোচনা। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট ও জাতীয় পার্টি বাদে অন্য দল থেকেও মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন বলে ধারণা অনেকের।

এসব আলোচনার বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতারা খোলাসা করে কিছু বলছেন না। তাদের কথায় থাকছে চমকের ইঙ্গিত।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনেক নতুন মেরুকরণ দেখবেন। কারণ বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক চায় আজকে যেভাবে দেশ চলছে সে অবস্থাতেই চায় তারা। সে কারণেই আগামী নির্বাচনকালীন সরকারের সময় অনেক নতুন কিছু দেখা যাবে।

তবে, যাই হোক না কেন সংবিধানের আলোকেই হবে বলছেন তারা। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরুল্লাহ বলেছেন, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে ততোই গুজব শুনা যাবে। সবকিছুই সম্ভব, যেভাবে সংবিধানে বলা আছে সেভাবেই হবে।

নেতারা বলছেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনায় সহাযোগিতা করাই হবে নির্বাচনকালীন সরকারের মন্ত্রিসভার কাজ।