ধামরাইয়ে বিয়ে করার শর্তে সেনাসদস্যের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন ভঙ্গ

ধামরাই প্রতিনিধি : ধামরাইয়ে আমতা গ্রামে বিয়ের দাবিতে সোনিয়া আক্তার (ছদ্মনাম) নামের এক কলেজছাত্রী ওই গ্রামের প্রেমিক সেনাসদস্য রাসেল আহম্মদ সুমনের বাড়ীতে চারদিন অনশন করার পর গতকাল শনিবার বিয়ের শর্তে অনশন ভঙ্গ করেছে সোনিয়া। স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, সুমনের অভিভাবক ও সোনিয়ার অভিভাবকের সমন্বয়ে সালিশ বৈঠকে সেনাসদস্য রাসেল আহম্মদ সুমন সোনিয়াকে বিয়ে করতে রাজি হয়েছে। এর পরে সোনিয়া অনশন ভঙ্গ করেছে।
সালিশ বৈঠকে সেনাসদস্য সুমন উপস্থিত না থাকলেও তার বাবা খোরশেদ আলম, মা উজালা, মামা সিরাজুল ইসলাম, ভগ্নিপতি মজিবুর রহমানসহ জনপ্রতিনিধিরা একটি ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করেন। জানা গেছে, কিছুদিনের মধ্যে বিয়ের দাবিতে অনশন করা ওই কলেজ ছাত্রীকে বিয়ে করবে বলে সুমনের অভিভাবকরা একমত হন। এ রিপোর্ট লেখার সময়ে বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা সুমনদের বাড়ীতে অবস্থান করছেন বলে বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের কয়েকজন জানান এ প্রতিবেদককে।
ধামরাইয়ের আমতা ইউনিয়নের আমতা গ্রামে বিয়ের দাবিতে সোনিয়া আক্তার (ছদ্মনাম) নামে এক কলেজছাত্রী গত বুধবার থেকে প্রেমিক সেনাসদস্যের বাড়িতে অনশন করেন। বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করবে বলে হুমকি দিয়েছে কলেজছাত্রী। এ ঘটানায় একই গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে সেনাসদস্য রাসেল আহম্মদ সুমন গা ঢাকা দিয়েছে।
সেনাসদস্য রাসেল আহম্মদ সুমন একই গ্রামের কলেজ পড়–য়া মেয়ে সোনিয়া আক্তারের (ছদ্ম নাম) সঙ্গে দীর্ঘ চার বছর ধরে প্রেম করে আসছিল। বিষয়টি দুই পরিবারের মধ্যে জানাজানি হওয়ার পর ছয় মাস আগে বিয়ের কথা হয়। সুমন বিয়ে করার জন্য দুমাসের ছুটি নিয়ে বাড়ি আসে। এরপর বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে পাত্রী দেখা শুরু করে সুমন ও তার স্বজনরা। এদিকে সোনিয়াকে বিয়ে করবে না বলে জানিয়ে দেয় সুমন। এতে নিরুপায় হয়ে সোনিয়া বিয়ের দাবিতে গত বুধবার সেনাসদস্যের বাড়িতে গিয়ে অনশন শুরু করে।