সেনাপ্রধানের নির্দেশেই তাড়ানো হয় রোহিঙ্গাদের!

ফুলকি অনলাইন: রোহিঙ্গা নিপীড়নের দায়ে ইইউ’র অভিযুক্ত মিয়ানমারে রাখাইনের মেজর জেনারেল মং মং সোয়েকে সোমবার বরখাস্ত করেছে সেনাবাহিনী। এর পরদিনই (মঙ্গলবার) মিয়ানমার সেনাবাহিনীর রোহিঙ্গা নিধন অভিযান নিয়ে আরেকটি চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন প্রকাশ করে রয়টার্স।

কার নির্দেশে নিরীহ রোহিঙ্গাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে সেনাবাহিনী? কীভাবে, কোন কৌশলে নৃশংস অভিযান পরিচালনা করে? পুলিশ, চৌকিদার, স্থানীয় বৌদ্ধ নেতারা মিলেমিশে কীভাবে রোহিঙ্গাদের হত্যা, ধর্ষণ, ভিটেবাড়ি পুড়িয়ে দেয় তার বিস্তারিত তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে।

যেকোনো মূল্যে রাখাইন রাজ্য থেকে রোহিঙ্গাদের তাড়াতে হবে- এটাই ছিল মিয়ানমার সেনাপ্রধানের মিন অং হ্লাইয়ের নির্দেশ। এ সব কাজে ব্যবহৃত সেনাবাহিনীর বিশেষ ১০ ডিভিশনের ভেতর থেকে চৌকস দুই ডিভিশনকে রাখাইনে পাঠায় সেনাবাহিনী। অভিযান শেষে ব্যারাকে ফিরলে তাদেরকে ফুলের মালা দিয়ে বীরের মর্যাদায় অভ্যর্থনার দৃশ্যও তুলে ধরা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।

২০১৭ সাল। আগস্ট মাসের ১০ তারিখ। রাখাইনের আকাশে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিমান। ভেতরে রণসাজে ঠাসাঠাসি বসে আছে কয়েক ডজন সেনা। কেউ ফেসবুকে, কেউ খোশগল্পে। এদের মধ্যে একজন তরুণ সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কাই নিয়ান লিন।

অতি উৎসাহে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন- ‘আমি এখন বিমানে। পিঠা খেতে যাচ্ছি’। পোস্টের নিচে এক বন্ধুর মন্তব্য, তুই কি বাঙালির মাংস খেতে যাচ্ছিস? লেফটেন্যান্ট: যা বলিস! আরেক বন্ধুর মন্তব্য, ভিনদেশি কুকুরগুলোকে শেষ করে দে’।