কোন কেন্দ্রে থেকে এজেন্ট বের করা হয়নি : ওবায়দুল কাদেরের চ্যালেঞ্জ

স্টাফ রিপোর্টার : কেন্দ্রে থেকে এজেন্ট বের করে দিয়েছে বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমি চ্যালেঞ্জ করছি কোন কোন কেন্দ্র থেকে তাঁদের এজেন্ট বের করে দিচ্ছে তার প্রমাণ বের করুক। মঙ্গলবার (২৬জুন) গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের উপল্লখে ধানমন্ডি রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, কেন্দ্রে থেকে এজেন্ট বের করে দিয়েছে এই অভিযোগ বাস্তবে নেই এবং এটা প্রমাণ করার ক্ষমতা তাঁদের নেই। নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে বিএনপির কিছু মুখাস্থ করা কথাবার্তা আছে সেগুলো তোতা পাখির মতো বলতে থাকে। কাগজপত্র ঠিক না থাকায় প্রিজাইডিং অফিসারের প্রবেশের সমস্যা হতে পারে।
নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর, খুলনার ধারাবাহিকতায় গাজীপুরেও একটি সুষ্ঠু অবাধ ও পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন হয়েছে। এই নির্বাচনের মত জাতীয় নির্বাচনে ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের বিজয়ের ধারা অব্যাহত থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
কাদের বলেন, এ নির্বাচন ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার হয়েছে। শেখ হাসিনার সরকার স্বাধীন কর্তৃত্ব পরায়ণ নির্বাচন করার জন্য সহযোগিতা করেছে ইসিকে। সবগুলো সিটি করপোরেশন নির্বাচনের চেয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন সবচেয়ে বড় নির্বাচন ছিল। আর এই নির্বাচনে সারাদিন উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিয়েছে গাজীপুরবাসী।
বিএনপি ছাড়া এই নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ কেউ করে নাই। নির্বাচনের ফল না দেয়া পর্যন্ত তাঁরা মিথ্যার বাঙ্গা রেকর্ড বাজাতে থাকবে এটা তাদের পুরনো অভ্যাস।
আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা পরিষ্কার বক্তব্য ছিল যে কোনও মূল্যে নির্বাচন সুষ্ঠু করতে হবে, কারণ আওয়ামী লীগ কোনো বদনাম নিতে পারবে না। সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে, তাছাড়া জনগণের রায় আমরা মাথা পেতে নেব ।
নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র করেছে একটি মহল এমন মন্তব্য করে বলেন, তা প্রমাণ হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ষড়যন্ত্র ফোন আলাপ প্রকাশের মাধ্যমে। বিএনপি নেতা নীল নকশা এমনকি বিএনপির একজন ঝাল ভোট দিতে গিয়ে হাতে নাতে ধরা পড়েছে। এই বিষয়ে কী বলবে বিএনপি? গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন আমরা বড় বিজয় আশা করছি কারণ শেখ হাসিনার উন্নয়নের অর্জনের সোনালি ফসলের ফলন এই বিজয়। এ বিজয় একাদশ নির্বাচন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে । কারণ বাংলাদেশের জনগণ এখন উন্নয়নের পক্ষে। জনগণ রাজনীতি দেখে ভোট দেয় না, ভোট দেয় উন্নয়নের কাজ দেখে। বিএনপি উন্নয়নের কোনও কাজ করেনি নেতিবাচক রাজনীতি করে। তাই জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। জনগণ জ্বালাও পোড়াও এ রকম রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করেছে ,তাই আওয়ামী লীগের বিশ্বাস সিটি নির্বাচনের মতো জাতীয় নির্বাচনেও জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে বিএনপিকে।
নির্বাচন কমিশনার জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপি হেরে গেছে বলে ইসি প্রতারণা করেছে। বিএনপি জয়ী হলে কখন এই কথা বলত না। এই নির্বাচন গণতন্ত্র ও জনগণের প্রতারিত নয় বরং জয়ী হয়েছে। বিএনপি হেরে গিয়ে এটাকে যদি প্রোপ্রতারণা বলে ,আগামী নির্বাচনে জনগণ তাদের প্রতারিত করবে।