ন্যূনতম ফেয়ারে লক্ষাধিক ভোটে জয়ের সম্ভাবনা : ফখরুল

স্টাফ রিপোর্টার : গাজীপুর সিটি নির্বাচন ন্যূনতম ফেয়ার হলে লক্ষাধিক ভোটে জয়ের সম্ভাবনা দেখছে বিএনপি। রোববার গুলশান চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে অনু এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গাজীপুর সিটি নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ হলে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হবে। এটা শতকরা ১০০ ভাগ নিশ্চিত। আমরা আশাবাদী লক্ষাধিক ভোটে জয়লাভ করবো।

এজেন্টরা কেন্দ্রে থাকতে পারবে কি না আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ক্ষমতাসীনদের সুবিধা দিতে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটের আগের রাতেই ব্যালট পেপার দেয়া হতে পারে।  মহাসচিব বলেন,বিএনপি সাংবিধানিকভাবে একটি রাজনৈতিক দল, আমরা গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখতে চাই, গণতন্ত্রের ধারাবাহিক চর্চা থাকুক এটা চাই। নূন্যতম ভোটাধিকার যেন বজায় থাকে সেজন্য সিটি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। এবং আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি।

তিনি বলেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন কমিশনের জন্য ‘টেস্ট কেস’। আর তা দেখেই আমরা পরবর্তী তিন সিটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো। এসময় ২৬ জুনের গাজীপুর সিটি নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে নির্বাচন কমিশনকে যাবতীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তিনি। অন্যথায় নির্বাচন কমিশনকে পদত্যাগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সম্পূর্ণ দলীয় লোক দিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন করা হয়েছে। এই কমিশন সম্পূর্ণ অকার্যকর। খুলনা সিটিতে সরকারের আজ্ঞাবাহ হয়ে কাজ করেছে নির্বাচন কমিশনÍ একই অবস্থা গাজীপুরেও চলছে । সেখানকার পুলিশ সুপারকে সরিয়ে দেয়ার কথা বার বার বললেও তা করা হয়নি। বরং বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে গাজীপুরে ত্রাসের নগরীতে পরিণত করা হয়েছে।

তিনি বলেন,যারা একটি সিটি নির্বাচন পরিচালনা করতে পারে না, তারা জাতীয় নির্বাচন কিভাবে পরিচালনা করবে। এরা প্রতিটি নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করছে।

ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ফখরুল বলেন, গাজীপুরের ভোটাররা ভোট দিতে চায়। তারা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে চায়। আমি ভোটারদের বলবো- আপনারা সব বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে ভোট কেন্দ্রে যান। ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন,গাজীপুরের নির্বাচন আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা পরিচালনা করছে না। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নির্বাচন পরিচালনা করছে গাজীপুরের এসপি জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

ও তার অধীনে যে পুলিশ ফোর্স রয়েছে তারা। এইটা ইতিমধ্যে পরিষ্কার যে যখন প্রার্থী পুলিশের গাড়িতে ঘুড়ে বেড়ায় তখন নির্বাচন কমিশনের এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব কি ছিল? কেউ কি প্রশ্ন করছে? পুলিশের গাড়িতে প্রার্থী কেন ঘুরে বেড়ারাচ্ছে? এটা পরিষ্কার যে পুরো নির্বাচন টা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে পরিচালনা পুলিশ বিভাগ ।